০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২০০৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সূর্যের চৌম্বকক্ষেত্রের শক্তি ও সৌর বাতাসের তীব্রতা বেড়েছে। তবে এই সক্রিয়তা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে থাকবে কি না তা নিশ্চিত নয়।
গত এক দশকে বিজ্ঞানীরা এক ডজনেরও বেশি এমন আলোর দেখা পেলেও এগুলো দীর্ঘ সময় ধরে তাদেরকে বিভ্রান্ত করেছে।
এই আনন্দ উদযাপনের অর্থ দুটি। তা হল: এই আলো জ্বলার মধ্যে যেমনি আছে আশা, তেমনি আছে ইসরায়েলের হাত থেকে মুক্তির আকাঙ্খাও।
তাত্ত্বিকভাবে এমন এক সাধারণ ক্যামেরা তৈরি সম্ভব হলেও হেডেট বলেছেন, সাধারণ মানুষের গ্যারাজে থাকা বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়ে তা তৈরি করা সম্ভব নয়।
গত মাসে এ ধূমকেতুর খোঁজ পেয়েছেন একজন স্বতন্ত্র তারা বিজ্ঞানী। সূর্য অস্ত যাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর, দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশের দিকে তাকালেই এটি দেখা যেতে পারে।
এ নির্গত আলোকে ‘বায়োফোটন’ বলা হচ্ছে, যা শনাক্ত করতে পারলে মানুষের শরীরের ভেতরে কী ঘটছে সে সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যেতে পারে।
সিস্টিন চ্যাপেলের এই ভাষণে পোপ মানুষের ধর্মবিশ্বাসের অভাবের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করে বলেছেন, ‘অন্ধকার রাত’ আলোকিত করার বাতিঘর হতে পারে গির্জা।
উদ্ভিদ ও প্রাণী যখন বেঁচে থাকার জন্য উপযোগী পরিস্থিতি বা পরিবেশ না পায় তখন এরা সুপ্তাবস্থা নামের ‘স্লিপ মোডে’ চলে যেতে পারে।