১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
শহরে সরবরাহ তুলনামূলক ‘স্বাভাবিক’ থাকলেও পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় লোড শেড বেড়েছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এ চুক্তির মূল্য, বকেয়া পরিশোধ ও সরবরাহ নিয়ে টানাপড়েন সামনে এসেছে।
ক্রমবর্ধমান চাহিদার বড় অংশ মেটানো হচ্ছে আদানির বিদ্যুৎ থেকে।
পাওনা সংক্রান্ত ঝামেলা মেটায় আদানি পাওয়ারকে তাদের ঝাড়খণ্ড কেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকেই নির্ধারিত হারে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখার অনুরোধ জানিয়েছে পিডিবি।
“আমরা আশাবাদী যে কেবল চলতি মাসের বিলের সমান অর্থ নয়, বরং পুরনো বকেয়া পরিশোধ করা হবে,” বলেন আদানি পাওয়ারের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা।
এর আগে তদন্তে নেমে আদানির বিদ্যুৎ আমদানিতে প্রায় ৪০ কোটি ডলারের শুল্ক 'ফাঁকির' প্রমাণ পায় এনবিআর।
শনিবার বিদ্যুৎ ভবনে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ এর সেমিনারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, এলএনজি সরবরাহ বন্ধ করতে চেয়েছিল কাতার। সরকার এখন লেইট পেমেন্ট দেয়া শুরু করেছে।
“তারা কোনও কিছুতেই ছাড় দিতে চায় না, এমনকি এক মিলিয়ন ডলারও না,” বলেন এক সূত্র।