২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
“মহররম উপলক্ষে আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর রেওয়াজ থাকলেও তা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।”
আহতদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা গুরুতর।
চান্দ্র নববর্ষ উদ্যাপনকালে মাত্র তিনদিনের মাথায় এ নিয়ে আতশবাজির দোকানে দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ও প্রাণহানি দেখল দেশটি।
পৌষ মাসের শেষ দিন বুধবার সাকরাইন উৎসবে মেতেছিলেন পুরান ঢাকার বাসিন্দারা। এদিন বিভিন্ন ভবনের ছাদ উড়েছে বাহারি ঘুড়ি, চলেছে ঘুড়ি কাটাকাটির খেলা। সন্ধ্যা নামতেই ফানুস আর আতশবাজির ঝলকানির সঙ্গে যোগ হয় নাচ-গানের আয়োজন।
এমন সময় নতুন বছর কড়া নাড়ল, যখন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয় শোক চলছে।
উচ্চ শব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করে—এমন কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকার নির্দেশনা এসেছে।
বন্ধ রাখতে হবে সব নিবন্ধিত বার, মদের দোকান।
“পটকা ও আতশবাজির ফলে শত শত পাখি মারা যায় এবং হৃদরোগে ভুগতে থাকা শিশু ও বয়স্কদের জীবনের ঝুঁকি বেড়ে যায়,” বলেন সিঞ্চন ভৌমিক।