বছর শেষে স্টারলিংক ইন্টারনেটের গতি হবে ১৫০ এমবিপিএস
আদর্শ পরিস্থিতিতে এসব স্যাটেলাইট ১৫০ এমবিপিএস পর্যন্ত ডাউনলোড স্পিড দিতে পারে, যা অনেকটা সাধারণ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট গতির সমান।
দ্বিতীয় প্রজন্মের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে স্টারলিংক। এ বছরের শেষ নাগাদ এ নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকাশ থেকে সরাসরি ১৫০ এমবিপিএস গতিতে ইন্টারনেট সেবা মিলবে, যা সাধারণ ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের গতির মতোই।
প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট লিখেছে, ‘মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস’-এ নিজেদের পরবর্তী প্রজন্মের স্যাটেলাইট ‘ভি২’ নিয়ে আসার পরিকল্পনার কথা বলেছেন স্টারলিংকের কর্মকর্তারা।
ইলন মাস্কের মহাকাশ কোম্পানি স্পেসএক্স-এর স্টারলিংক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইকেল নিকোলস বলেছেন, “স্টারলিংক মোবাইলের লক্ষ্য, আপনি যখন স্যাটেলাইট সিস্টেমের সঙ্গে যোগ থাকবেন, তখন যেন সাধারণ ল্যান্ডলাইন নেটওয়ার্কের মতোই সংযোগ পান।
“সব পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে এর অভিজ্ঞতা হবে অনেকটা উচ্চ সক্ষমতাওয়ালা ৫জি নেটওয়ার্কের মতোই।”
নিকোলস বলেছেন, আদর্শ পরিস্থিতিতে এসব ‘ভি২’ স্যাটেলাইট ১৫০ এমবিপিএস পর্যন্ত ডাউনলোড স্পিড দিতে পারে, যা অনেকটা সাধারণ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতির সমান।
স্টারলিংক বলেছে, এ পরবর্তী প্রজন্মের এসব স্যাটেলাইট আগের তুলনায় ১০০ গুণ ডেটা ঘনত্ব দেবে। ফলে ব্যবহারকারীরা আরও দ্রুতগতিতে ভিডিও স্ট্রিমিং ও ব্রাউজিং করতে পারবেন এবং ভয়েস কলও তবে নিরবচ্ছিন্ন।
নিকোলস বলেছেন, ভি১ স্যাটেলাইট পৃথিবীর মেরুর বিভিন্ন অঞ্চলেও উন্নত নেটওয়ার্ক সুবিধা দেবে, যেখানে সাধারণ নেটওয়ার্ক পৌঁছানো বা সচল রাখা খুবই কঠিন।
২০২৭ সালের মাঝামাঝি থেকে প্রতিবার রকেটের মাধ্যমে ৫০টিরও বেশি ‘ভি২’ স্যাটেলাইট পাঠানোর পরিকল্পনা করছে স্পেসএক্স।
কোম্পানিটির লক্ষ্য, কেবল ছয় মাসের মধ্যে এসব স্যাটেলাইটের পূর্ণাঙ্গ এক নেটওয়ার্ক গুচ্ছ তৈরি করা।
‘মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস’-এ সভার পাশাপাশি জার্মানির টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি ‘ডয়চে টেলিকম’-এর সঙ্গে পার্টনারশিপের ঘোষণা দিয়েছে স্টারলিংক।
এ চুক্তির ফলে ২০২৮ সাল থেকে ইউরোপের যেসব দুর্গম এলাকায় ইন্টারনেটের সমস্যা রয়েছে, সেখানে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক পৌঁছে দেবে ‘ডয়চে টেলিকম’।
