অ্যাপলের নজর আইওএস ২৭-এর পারফরম্যান্স ও এআইতে
অ্যাপল সফটওয়্যারের গুণমান ও আন্ডারলাইং পারফরম্যান্স উন্নত করার ওপর নজর দিচ্ছে। পাশাপাশি বাড়ানো হচ্ছে এআই সংক্রান্ত সক্ষমতাও
বার্ষিক আইওএস আপডেটে বহু বছর ধরে বড় বড় পরিবর্তন আনার পর এবার অ্যাপল ভিন্ন পথেই হাঁটছে। আগামী আইওএস ২৬-এ জাঁকজমকপূর্ণ নতুন ফিচার দেওয়ার চেয়ে কোম্পানিটির নজর থাকবে সফটওয়্যার পরিমার্জন, স্থিতিশীলতা ও পারফরম্যান্স উন্নয়নের দিকে।
ব্লুমবার্গের মার্ক গারম্যান তার সর্বশেষ ‘পাওয়ার অন’ নিউজলেটারে লিখেছেন, “অ্যাপল সফটওয়্যারের গুণমান ও আন্ডারলাইং পারফরম্যান্স উন্নত করার ওপর ফোকাস করছে। পাশাপাশি বাড়ানো হচ্ছে এআই সংক্রান্ত সক্ষমতাও”।
প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট লিখেছে, আইওএস ২৬-এ নতুন ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন আনার পর এবং গত বছর অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স চালুর পর বেশ কিছু এআই ফিচার অপূর্ণ বা ঠিকভাবে প্রস্তুত ছিল না। এবার সেই অসম্পূর্ণ ফিচার বাড়ানোর বদলে পুরো সিস্টেমের ব্যবহার অভিজ্ঞতা আরও মসৃণ ও স্থিতিশীল করায় মন দিচ্ছে অ্যাপল।
গারম্যান লিখেছেন, “ইঞ্জিনিয়ারিং টিম এখন অপারেটিং সিস্টেমগুলোয় অপ্রয়োজনীয় বাল্ক কমানো, বাগ সরানো এবং পারফরম্যান্স ও সামগ্রিক গুণমান বাড়ানোর সুযোগ খুঁজে বের করা নিয়ে ব্যস্ত”।
তিনি এই কৌশলকে ২০০৯ সালে ম্যাকের জন্য আসা ‘স্নো লেপার্ড’ রিলিজের সঙ্গে তুলনা করেছেন যেখানে ফোকাস ছিল ডিভাইসে নির্ভরযোগ্যতা, ডিবাগিং ও দক্ষতার ওপর।
এআইয়ে পিছিয়ে থাকা কাটিয়ে ওঠাও অ্যাপলের বড় অগ্রাধিকার বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। কোম্পানিটি এআইনির্ভর ওয়েব সার্চ টুল, অ্যাপল ইন্টেলিজেন্সের বড় ধরনের পুনর্গঠন এবং আরও অনেক অ্যাপে এআই একীভূত করার পরিকল্পনায় কাজ করছে।
২০২৪ সাল থেকে কোম্পানিটি যে ‘আরও স্মার্ট এবং পার্সোনালাইজড এআই চালিত সিরি’র কথা বলে আসছে সেটি এখনও দেখা যায়নি। তবে গারম্যানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সেই সংস্করণটি আইওএস ২৭ আসার আগেই উন্মোচিত হতে পারে। সম্ভবত আগামী বসন্তে প্রকাশিত হতে যাওয়া আইওএস ২৬.৪ আপডেটে।
