ছাঁটাইয়ের বদলে কর্মী সংখ্যা দ্বিগুণ করছে ওপেনএআই
এ নিয়োগ অভিযানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে প্রযুক্তিগত দূতদের ওপর, যাদের মূল কাজ হবে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন এআই টুল আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারে সহায়তা করা।
প্রযুক্তি বিশ্বে যখন কর্মী ছাঁটাইয়ের হিড়িক চলছে তখন ঠিক উল্টো পথে হাঁটছে ওপেনএআই। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ নিজেদের জনবল দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা করছে এআই জায়ান্টটি।
প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট প্রতিবেদনে লিখেছে, বছরের পর বছর ধরে অন্যান্য প্রযুক্তি কোম্পানি কর্মী ছাঁটাই করলেও নিজেদের কর্মী সংখ্যা সাড়ে চার হাজার থেকে বাড়িয়ে আট হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে ওপেনএআই।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, ওপেনএআইয়ের এই বড় পরিসরে নিয়োগ প্রক্রিয়া পণ্য উন্নয়ন, প্রকৌশল, গবেষণা ও বিক্রয়সহ বিভিন্ন বিভাগে পরিচালিত হবে।
এ নিয়োগ অভিযানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ‘টেকনিক্যাল অ্যাম্বাসেডর’ বা প্রযুক্তি দূতদের ওপর, যাদের মূল কাজ হবে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন এআই টুল আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারে সহায়তা করা।
পত্রিকাটির মতে, ওপেনএআই সম্ভবত তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যানথ্রপিক ও তাদের ‘ক্লড’ এআই চ্যাটবটের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকার জন্য এমন পদক্ষেপ নিয়েছে।
কর্পোরেট খরচ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক স্টার্টআপ র্যাম্প-এর ‘এআই ইনডেক্স’ অনুসারে, বর্তমানে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রথমবার এআই পরিষেবা কেনার ক্ষেত্রে ওপেনএআইয়ের তুলনায় অ্যানথ্রপিককে বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা ৭০ শতাংশ বেশি।
ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের সঙ্গে তাদের এআই মডেল ব্যবহারের এক চুক্তি করে বেশ শোরগোল ফেলে ওপেনএআই।
এর আগে, এ সংস্থাটির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি অ্যানথ্রপিকের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়।
রয়টার্স লিখেছে, সরকারি এ চুক্তির পাশাপাশি ওপেনএআই এখন ‘ব্রুকফিল্ড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট’-এর মতো বিভিন্ন প্রাইভেট ইকুইটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও ‘উন্নত পর্যায়ের আলোচনা’ চালাচ্ছে, যাতে তাদের বিভিন্ন এআই টুল ওইসব প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন কোম্পানিতে ব্যবহার করা যায়।
