বুক্সের ‘পকেটবান্ধব’ ই-রিডার পিকো আসছে নভেম্বরে
পিকোর পেছনে ফোনের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য কোনো চুম্বক থাকবে না। তবে এর ৩ দশমিক ৭৯ ইঞ্চির ই-পেপার ডিসপ্লেতে টাচ সুবিধা থাকছে।
ছোট আকারের ই-রিডারের বাজারে নতুন ডিভাইস আনছে বুক্স। কোম্পানিটির পিকো নামের এই ই-রিডারে থাকছে ৩ দশমিক ৭৯ ইঞ্চি আকারের ই-পেপার ডিসপ্লে, টাচস্ক্রিন এবং পেজ বদলের জন্য আলাদা বোতাম।
নভেম্বরে ডিভাইসটি বাজারে আসতে পারে বলে লিখেছে প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম দ্য ভার্জ।
জুলাইয়ে পিকোর আভাস দিয়েছিল বুক্স। তবে তখন ডিভাইসটি সম্পর্কে তেমন তথ্য জানায়নি কোম্পানিটি। আইএফএ থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের বরাতে এ বিষয়ে আরও কিছু তথ্য জানা গেছে।
পিকোর পেছনে ফোনের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য কোনো চুম্বক থাকবে না। তবে এর ৩ দশমিক ৭৯ ইঞ্চির ই-পেপার ডিসপ্লেতে টাচ সুবিধা থাকছে। দ্য ভার্জের অ্যান্ড্রু লিশেভস্কি এটিকে এক্সটিইঙ্ক এক্সফোর প্রোর তুলনায় ‘কাঙ্ক্ষিত আপগ্রেড’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ডিভাইসটিতে পেজ বদলের জন্য থাকবে বোতাম। ছোট ও দীর্ঘ সময় চাপ দেওয়ার জন্য এসব বোতামে আলাদা কাজ ঠিক করে দেওয়া যাবে।
পিকোতে কোনো অভ্যন্তরীণ সংরক্ষণব্যবস্থা থাকছে না বলে জানা গেছে। বই রাখার জন্য পুরোপুরি মাইক্রোএসডি কার্ডের ওপর নির্ভর করতে হবে। তবে কার্ডে ফাইল যোগ করার পাশাপাশি ইউএসবি-সি কেবলের মাধ্যমেও সরাসরি পিকোতে বই বা পড়ার ফাইল পাঠানো যাবে। ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে সহযোগী অ্যাপের মাধ্যমেও পাঠযোগ্য ফাইল এতে পাঠানো যাবে।
বুক্সের অন্য ডিভাইসগুলোর মতো পিকোতে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম থাকবে না। এর পরিবর্তে ডিভাইসটি লিনাক্সভিত্তিক সরল অপারেটিং সিস্টেমে চলবে। এতে টাইমার, করণীয় তালিকা এবং পড়ার পরিসংখ্যান দেখার মতো কয়েকটি অতিরিক্ত অ্যাপও থাকবে।
তবে এক্সটিইঙ্কের মতো বুক্স পিকোর ফার্মওয়্যার সবার জন্য উন্মুক্ত করবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে ডিভাইসটি এক্সটিইঙ্কের ই-রিডারের তুলনায় কম পরিবর্তনযোগ্য ও কম কাস্টমাইজযোগ্য হতে পারে।
পিকোর দাম, ব্যাটারি কতক্ষণ চলবে, ব্লুটুথ সুবিধা থাকবে কি না এবং অডিওবুক চালানোর ব্যবস্থা থাকবে কি না, এসব তথ্য এখনো জানা যায়নি। নভেম্বরে বাজারে আসার সময় পর্যন্ত এসব তথ্যের জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।
