২ হাজার ডলারে আসবে ফোল্ডএবল ‘আইফোন ডুও’?
কিছু বিশ্লেষক ধারণা করেছিলেন, এ ফোনের শুরুর দামই হতে পারে ২ হাজার ৫০০ ডলার।
এবারের ইভেন্টে বহুল প্রতীক্ষিত ফোল্ডএবল আইফোন বাজারে আনতে পারে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। তবে এর নাম নিয়ে বাজারে যে জল্পনা ছিল তা কিছুটা বদলাতে পারে।
মার্কিন বাণিজ্য প্রকাশনা ব্লুমবার্গের প্রযুক্তি বিশ্লেষক মার্ক গারম্যান প্রতিবেদনে লিখেছেন, বহুল আলোচিত ডিভাইসটির নাম ‘ফোল্ড’ বা ‘আল্ট্রা’ না হয়ে বরং ‘আইফোন ডুও’ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
১৯৯৫ সালে অ্যাপলের নোটবুক সিরিজ ও মাইক্রোসফটের সারফেইস ডিভাইসে অতীতে এ নামটি ব্যবহৃত হয়েছিল। স্যামসাংয়ের ফোল্ডএবল স্মার্টফোনের মতো অ্যাপলের ফোল্ডএবল ডিভাইসটিও বেশ ব্যয়বহুল হবে।
আগের অনুমানের চেয়ে এর দাম কিছুটা কমও হতে পারে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট।
প্রতিবেদন অনুসারে, ২৫৬ জিবি সংস্করণের আইফোন ডুও’র দাম ২ হাজার ডলার থেকে শুরু এবং এর সর্বোচ্চ ২ টিবি স্টোরেজ ও সম্পূর্ণ ফিচারের মডেলটির দাম প্রায় ৩ হাজার ডলারে গিয়ে ঠেকবে।
এর আগে, কিছু বিশ্লেষক ধারণা করেছিলেন, এ ফোনের শুরুর দামই হতে পারে ২ হাজার ৫০০ ডলার। গ্রাহক চাহিদা বৃদ্ধি ও বাজারের লক্ষ্যমাত্রা জন্যই অ্যাপল তাদের মুনাফার মার্জিন কিছুটা কমাচ্ছে বলে মনে করছেন গারম্যান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এ ডিভাইসে অ্যাপলের নিজস্ব ‘এ২০ প্রো’ চিপ ও ‘সি২’ মডেম ব্যবহার করা হতে পারে। এতে থাকছে দুটি ৪৮ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা, একটি ১২ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা, ম্যাগনেটিক হিঞ্জ সিস্টেম।
এতে অ্যাপল পেন্সিল স্টাইলাসের সমর্থনও মিলবে। স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোল্ড ৮-এর মতো এর ডিজাইনটি বেশ চওড়া হতে পারে, যা ভিডিও দেখার সুবিধার্থে ল্যান্ডস্কেপ আকারে খুলে যায়।
পাশাপাশি, দুটি অ্যাপ চালিয়ে মাল্টিটাস্কিং করার সুযোগ থাকতে পারে। ফোনটি গাঢ় নীল ও সাদা রঙে বাজারে আসবে এবং আইফোন ১৮ বাজারে আসার খুব বেশি দিন পর নয়, বরং আগামী অক্টোবরের কোনো এক সময়ে বিক্রি শুরু হবে।
এদিকে, মার্ক গারম্যান বলেছেন, আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্স মডেল দুটির দাম আগের সংস্করণের তুলনায় ১০০ ডলার বেশি হতে পারে, যা অনুমানের চেয়ে কিছুটা কম।
অ্যাপলের বুধবারের ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’ ইভেন্ট শুরু হবে প্যাসিফিক সময় সকাল ১০টায় ও বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায়, যেখানে থাকবে লাইভব্লগ, নতুন বিভিন্ন পণ্যের হ্যান্ডস-অন কভারেজসহ আরও অনেক কিছু।
