গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের আইপিও আবেদন শুরু ১৬ অক্টোবর
সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার শেয়ারের আবেদন করা যাবে।।
প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে (আইপিও) পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়া গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের জন্য আবেদন করা যাবে আগামী ১৬ থেকে ২০ অক্টোবর।
বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বিনিয়োগকারী ও ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি অনিবাসী বাংলাদেশি নাগরিকরাও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার পেতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।
শর্ত হল, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন সিকিউরিটিজে গত ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। আর অনিবাসীদের ক্ষেত্রে অন্তত ১ লাখ টাকা বিনিয়োগলাগবে।
ওই সীমার মধ্যে বিনিয়োগ যাদের আছে, তারা গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার শেয়ারের আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে হবে ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত ১৫ জুন ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংককে পুঁজিবাজার থেকে ৪২৫ কোটি টাকা তোলার অনুমোদন দেয়।
১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৪২ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে ৪২৫ কোটি টাকা তুলবে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক।
বিএসইসিকে তারা জানিয়েছে, উত্তোলিত অর্থের মধ্যে ১০০ কোটি টাকা এসএমইতে, ২৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করবে তারা। আর ৫০ কোটি টাকা তালিকাভুক্ত শেয়ারে এবং ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা আইপিও প্রক্রিয়ায় খরচ করবে।
২০১৩ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিবন্ধন পায় গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক। ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে পুঁজিবাজারে বর্তমানে তালিকাভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৩৩টি। গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক তালিকাভুক্ত হলে সংখ্যা ৩৪টিতে উন্নীত হবে।
