পুঁজিবাজারে লেনদেন নামল হাজার কোটির নিচে, সূচক কমল ৮৫ পয়েন্ট
আড়াই মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সূচক কমেছিল ৫ এপ্রিল; ১০৭ পয়েন্ট।
সূচকের বড় পতনের সঙ্গে লেনদেনও কমেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)।
সোমবার দেশের বড় এ পুজিবাজারে আগের দিনের চেয়ে প্রধান সূচক— ডিএসইএক্স কমেছে ৮৫ পয়েন্ট।
দিন শেষে সূচক দাঁড়ায় ৫ হাজার ৫৫৪ পয়েন্ট, যা আগের দিন ছিল ৫ হাজার ৬৩৯।
গেল আড়াই মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সূচক কমেছিল ৫ এপ্রিল; ১০৭ পয়েন্ট।
সোমবার সকাল সূচকে উত্থান দেখা দিলেও বেলা সোয়া ১১ টার পর সংশোধন যায়। শেষ বেলা পর্যন্ত শেয়ার বিক্রির চাপ থাকায় ঘুড়ে দাড়াতে পারেনি সূচক।
এদিন হাতবদল হয় ৮৭৬ কোটি টাকার শেয়ার, যা আগের দিন ছিল ১ হাজার ২ কোটি টাকা।
গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠন করলে ৪ জুন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের(বিএসইসি) নেতৃত্বে বদল হয়। চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন মাসুদ খান।
তারপর থেকে ডিএসইতে লেনদেন হাজার কোটির নিচে নামেনি। দায়িত্ব গ্রহণের পরের দিন এক হাজার ৫২৯ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়।
সোমবার ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়। এর মধ্যে দর বাড়ে ৩৬টির, কমে ৩১৯টির, আগের দরে লেনদেন হয় ৩৪টি কোম্পানির শেয়ার।
আগের দিনের মত এদিনও বেশি হাতবদল হয় ওষুধ ও রসায়ন, প্রকৌশল এবং বস্ত্র খাতের শেয়ার।
দর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষ তিন কোম্পানি হলো বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস আর জেএমআই সিরিঞ্জ ও মেডিকেল ডিভাইসেস।
আর শীর্ষ দর হারানো তালিকায় আছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস, বেক্সিমকো লিমিটেড ও বিডি থাই।
