জাপানে ১০০ মিটার স্প্রিন্টের সেমি-ফাইনালে ইমরানুর
নিজের হিটে চতুর্থ হলেও টাইমিং ভালো হওয়ায় সব হিট মিলিয়ে পরের ধাপে গেছেন বাংলাদেশের এই দ্রুততম মানব।
পর্দায় ভেসে উঠল ইমরানুর রহমানের মুখ। তিনি তখন বুটের লেইস ঠিক করতে ব্যস্ত। ক্যামেরার দিকে তাকালেন-ই না। হিট শুরুর সময়ও তাকে দেখা গেল কিছুটা বিষন্ন। লাফ-ঝাঁপ করে জড়তা দূর করার চেষ্টা করলেন বটে। কিন্তু দৌড় শুরুর পর একটু একটু করে পিছিয়ে পড়লেন। নিজের হিটে হলেন চতুর্থ। তবে টাইমিং ভালো হওয়ায় ছয় হিট মিলিয়ে এশিয়ান গেমসের ১০০ মিটারের মর্যাদাপূর্ণ ইভেন্টে ঠিকই পরের ধাপে উঠলেন বাংলাদেশের এই দ্রুততম মানব।
নাগোয়া সিটি মিজুহো পার্ক অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার পাঁচ নম্বর হিটে দৌড়ান ইমরানুর। ১০ দশমিক ৪৯ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে নিজের হিটে চতুর্থ হন তিনি। অথচ নিজের হিটে টাইমিংয়ে একটু এগিয়ে থাকলেই হিট সরাসরি পেরুতে পারতেন তিনি। পাঁচ নম্বর হিট থেকে তৃতীয় হয়ে পরের ধাপে যাওয়া প্রতিযোগীর চেয়ে তার ব্যবধান ছিল মাত্র দশমিক ৩২ সেকেন্ডের!
তখনও বাকি ছিল ষষ্ঠ হিটের। টাইমিং ভালো হওয়ায় সব হিট মিলিয়ে পরের ধাপে যাওয়া ২৪ প্রতিযোগীর একজন হওয়ার সুযোগ ছিল ইমরানুরের সামনে। সেটিই কাজে লাগান তিনি। সব হিট মিলিয়ে সেমি-ফাইনালে ওঠা ২৪ প্রতিযোগীর মধ্যে ২২তম হয়ে পরের ধাপে গেছেন ইংল্যান্ড প্রবাসী এই অ্যাথলেট।
সেমি-ফাইনালের টিকেট মিললেও, নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে খুব খুশি নন ইমরানুর। দিলেন উন্নতির প্রতিশ্রুতি।
“টাইমিং আরেকটু ভালো হওয়া উচিত ছিল। তারপরও যা হয়েছে তাতে আমি সন্তুষ্ট। আসলে শেষ দিকের কাজটা একটু কঠিন হয়ে পড়েছিল। সব মিলিয়ে এই নৈপুণ্যে আমি অসন্তুষ্ট নই, আবারও বলছি। সেমি-ফাইনালে আমার সেরা প্রচেষ্টাই থাকবে। সেভাবে কোন সমস্যা ছিল না। আমি ভালোই বোধ করছিলাম। সেমিফাইনালে আশা করছি টাইমিংয়ের আরও উন্নতি হবে।”
