২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

ইয়ামাল-এমবাপেকে হারিয়ে ব্যালন দ’র কেইনের

দুই যুগ পর বর্ষসেরা ফুটবলারের মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার জিতলেন কোনো ইংলিশ ফুটবলার।

ইয়ামাল-এমবাপেকে হারিয়ে ব্যালন দ’র কেইনের

প্রথমবার ব্যালন দ’র জিতলেন হ্যারি কেইন। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 27 Oct 2026, 04:52 AM

Updated : 27 Oct 2026, 05:29 AM

ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে গত মৌসুমে গোলের বন্যা বইয়ে দিয়ে অসাধারণ এক স্বীকৃতি পেলেন হ্যারি কেইন। লামিন ইয়ামাল ও কিলিয়ান এমবাপেকে পেছনে ফেলে প্রথমবারের মতো ব্যালন দ’র জিতলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে সোমবার রাতে জমকালো অনুষ্ঠানে বায়ার্ন মিউনিখ স্ট্রাইকারের হাতে তুলে দেওয়া হয় ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’- এর পুরস্কার, ব্যালন দ’র ২০২৬।

৩৩ বছর বয়সি এই ফুটবলারের হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন দুইবারের ব্যালন দ’র জয়ী ও কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার রোনালদো।

দুই যুগ পর বর্ষসেরা ফুটবলারের মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার জিতলেন কোনো ইংলিশ ফুটবলার। সবশেষ ২০০১ সালে জিতেছিলেন মাইকেল ওয়েন।

সব মিলিয়ে পুরস্কারটি জয়ী পঞ্চম ইংলিশ ফুটবলার কেইন। ১৯৫৬ সালে ইতিহাসের প্রথম ব্যালন দ’র জেতেন দেশটির কিংবদন্তি স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউস। ১৯৬৬ সালে স্যার ববি চার্লটন, ১৯৭৮ সালে কেভিন কিগান পান এই স্বীকৃতি।

এই বছর পুরস্কারটি জয়ের জন্য অনেকেই এগিয়ে রাখছিলেন কেইনকে। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে গত মৌসুমে ইংলিশ তারকা ৬৫ ম্যাচে গোল করেন মোট ৭৩টি, সঙ্গে অ্যাসিস্ট আটটি।

বায়ার্ন মিউনিখের বুন্ডেসলিগা ও জার্মান কাপ জয়ে তিনি রাখেন বড় অবদান, ক্লাবের হয়ে গোল করেন ৬১টি, আর জাতীয় দলের হয়ে ১২টি। ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনাল থেকে বিদায় নেয় তার দল।

বর্ষসেরা স্ট্রাইকারের পুরস্কারও জিতেছেন কেইন।

তৃতীয়বারের মতো মেয়েদের ব্যালন দ’র জিতেছেন বার্সেলোনা অধিনায়ক আলেক্সিয়া পুতেয়াস। গত মৌসুমে ক্লাবের চার শিরোপা জয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।

সাবেক ক্লাব সতীর্থ আইতানো বনমাতির সবচেয়ে বেশিবার পুরস্কারটি জয়ের রেকর্ড স্পর্শ করলেন পুতেয়াস। গত তিন বছর টানা জিতেছিলেন বনমাতি।

পুতেয়াস এর আগে জিতেছিলেন ২০২১ ও ২০২২ সালে।

সাংবাদিকদের ভোটে নির্বাচিত হন বিজয়ী।

ব্যালন দ’র সেরা ত্রিশ:

প্রথম: হ্যারি কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ ও ইংল্যান্ড)

দ্বিতীয়: কিলিয়ান এমবাপে (রেয়াল মাদ্রিদ ও ফ্রান্স)

তৃতীয়: লামিন ইয়ামাল (বার্সেলোনা)

চতুর্থ: রদ্রি (ম্যানচেস্টার সিটি/বার্সেলোনা ও স্পেন)

পঞ্চম: লিওনেল মেসি (ইন্টার মায়ামি ও আর্জেন্টিনা)

ষষ্ঠ: খাভিচা কাভারাৎস্খেলিয়া (পিএসজি ও জর্জিয়া),

সপ্তম: উসমান দেম্বেলে (পিএসজি ও ফ্রান্স),

অষ্টম: আর্লিং হলান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি ও নরওয়ে),

নবম: মাইকেল ওলিসে (বায়ার্ন মিউনিখ ও ফ্রান্স),

দশম: ফাবিয়া রুইস (পিএসজি ও স্পেন)

১১তম: জুড বেলিংহ্যাম (রেয়াল মাদ্রিদ ও ইংল্যান্ড)

১২তম: পাউ কুবার্সি (বার্সেলোনা ও স্পেন)

১৩তম: আশরাফ হাকিমি (পিএসজি ও মরক্কো)

১৪তম: ভিতিনিয়া (পিএসজি ও পর্তুগাল)

১৫তম: ডেক্লান রাইস (আর্সেনাল ও ইংল্যান্ড)

১৬তম: ফেররান তরেস (বার্সেলোনা/পিএসজি ও স্পেন

১৭তম: ভিনিসিউস জুনিয়র (রেয়াল মাদ্রিদ ও ব্রাজিল)

১৮তম: মার্ক কুকুরাইয়া (চেলসি/রেয়াল মাদ্রিদ ও স্পেন)

১৯তম: জুয়াও নেভ্স (পিএসজি ও পর্তুগাল)

২০তম: উইলিয়ান পাচো (পিএসজি ও একুয়েডর)

২১তম: গাব্রিয়েল মাগালাইস (আর্সেনাল ও ব্রাজিল)

২২তম: লাউতারো মার্তিনেস (ইন্টার মিলান ও আর্জেন্টিনা)

২৩তম: নুনো মেন্দস (পিএসজি ও পর্তুগাল)

২৪তম: লুইস দিয়াস (বায়ার্ন মিউনিখ ও কলম্বিয়া)

২৫তম: মার্কিনিয়োস (পিএসজি ও ব্রাজিল)

২৬তম: দাইয়ু উপামেকানো (বায়ার্ন মিউনিখ ও ফ্রান্স)

২৭তম: ব্রুনো ফের্নান্দস (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও পর্তুগাল)

২৮তম: হুলিয়ান কিনোনেস (আল কাদসিয়াহ ও মেক্সিকো)

২৯তম: সাদিও মানে (আল নাস্‌র ও সেনেগাল), উইলিয়াম সালিবা (আর্সেনাল ও ফ্রান্স)