‘জয়ের যোগ্য ছিলাম না’, অকপটে বললেন হাভার্টজ
পিছিয়ে পড়া জার্মানিকে সমতায় ফেরানো এই ফরোয়ার্ড টাইব্রেকারে প্রথম শটে পারেননি গোল করতে।
কাই হাভার্টজের হতাশা যেন সবচেয়ে বেশি। পিছিয়ে পড়া জার্মানিকে সমতার স্বস্তি এনে দিয়েছিলেন, কিন্তু শ্বাসরুদ্ধকর টাইব্রেকারে গিয়ে প্রথম শটেই করলেন মিস! অনেক নাটকীয়তার পর হেরে গেল জার্মানি। আরও একবার বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল আগেভাগে। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে হারের পর হাভার্টজ অকপটে বললেন, জয়ের যোগ্য ছিলেন না তারা।
ব্যর্থতা জার্মানির পিছু নিয়েছিল গ্রুপ পর্ব থেকে। টানা দুই জয়ের পর, একুয়েডরের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছিল ইউলিয়ান নাগেলসমানের দল। সেই হারের ক্ষত নিয়ে উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এসে আবারও হারল তারা। তাতে, গত দুই আসরে গ্রুপ পর্বে ছিটকে যাওয়া জার্মানি এবার বিদায় নিল শেষ বত্রিশের মঞ্চ থেকে।
একুয়েডর ম্যাচের ওই হারের পর, জার্মানির সাবেক মিডফিল্ডার টনি ক্রুস সতর্ক করে দিয়েছিলেন উত্তরসূরিদের। বলেছিলেন, রক্ষণে উন্নতির পাশাপাশি নির্ভরযোগ্যরা সেরা ছন্দে না ফিরলে বিপদ অপেক্ষা করছে জার্মানির সামনে। ক্রুসের শঙ্কাই হলো সত্যি।
বস্টনে সোমবার সকালে, ম্যাচের প্রথমার্ধে বিপদে পড়ে যায় বিবর্ণ জার্মানি। পাল্টা আক্রমণ নির্ভর ফুটবল খেলা প্যারাগুয়ে ৪২তম মিনিটে এগিয়ে যায়, বক্সে অরক্ষিত থাকা হুলিও এন্সিসোর গোলে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জার্মানিকে সমতায় ফেরান হাভার্টজ। কিন্তু বাকি সময়ে ম্যাচ নিজেদের অনুকূলে আনতে পারেনি জার্মানি। একবার জালে বল জড়ালেও ভিএআরে বাতিল হয় জোনাথন টাহর গোল।
নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা ১-১ সমতায় শেষের পর, টাইব্রেকারে হাভার্টজই চাপে ফেলে দেন জার্মানিকে। ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের দুর্বল শট আটকে দেন প্যারাগুয়ের টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জয়ের নায়ক ওর্লান্দো হিল। ম্যাচ শেষের প্রতিক্রিয়ায় হাভার্টজ বললেন, জয়টা প্রাপ্য ছিল না তাদের।
“প্যারাগুয়ে অতিরক্ষণাত্মক খেলছিল এবং তাতে, দীর্ঘ সময় ছোটা ও পথ খুঁজে পাওয়া আমাদের জন্য আসলেই কঠিন হয়ে উঠেছিল।”
“আমরা দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণের চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এ কৌশল আসলে কাজ করেনি। আমি মনে করি না, আমরা এই ম্যাচে জয়ের যোগ্য ছিলাম।”
