২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

মেসির আরেক রেকর্ডের হাতছানি, অপরাজেয় আর্জেন্টিনা, সুইজারল্যান্ড শূন্য

তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড।

মেসির আরেক রেকর্ডের হাতছানি, অপরাজেয় আর্জেন্টিনা, সুইজারল্যান্ড শূন্য
অনুশীলনে সতীর্থ রদ্রিগো দে পলের (বাঁয়ে) সঙ্গে লিওনেল মেসি। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Jul 2026, 11:20 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:38 PM

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে এবার সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

ক্যানসাস সিটিতে উত্তর আমেরিকা আসরের শেষ কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হবে ১২ জুলাই ৭টায় (এএম)।

এর আগে দেখে নেওয়া যাক দল দুটির কিছু পরিসংখ্যান:

৭

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সাতবারের দেখায় জিততে পারেনি সুইজারল্যান্ড। আর্জেন্টিনার জয় পাঁচটিতে, ড্র হয়েছে অন্য দুটি। 

নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে জয় পাওয়া ছাড়া কোনো দলের বিপক্ষে সুইজারল্যান্ড এর চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছে কেবল রাশিয়ার সঙ্গে (১২ ম্যাচ, এর মধ্যে আছে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপক্ষে খেলা ম্যাচগুলোও)।

২

বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আগের দুটি ম্যাচই জিতেছে আর্জেন্টিনা– ১৯৬৬ সালে ২-০ ও ২০১৪ সালে ১-০ গোলে, এটা ছিল যেকোনো প্রতিযোগিতায় দল দুটির সবশেষ সাক্ষাৎ।

১০ 

সুইজারল্যান্ডের এই সংগ্রাম শুধু আর্জেন্টিনার বিপক্ষেই নয়; দক্ষিণ আমেরিকান দলগুলোর বিপক্ষে বিশ্বকাপে ১০ ম্যাচের মধ্যে সুইসরা কেবল একটিতে জিতেছে (তিন ড্র, ছয় হার)। সেই একমাত্র জয়টি এসেছিল ২০১৪ সালের গ্রুপ পর্বে একুয়েডরের বিপক্ষে ২-১ গোলে।

১৪

২০১৮ সালের গ্রুপ পর্বে ক্রোয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হারের পর থেকে, বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা তাদের সবশেষ ১৪ ম্যাচের প্রতিটিতেই গোল করেছে।

১১

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা তাদের সবশেষ ১১ ম্যাচের প্রতিটিতে দুই বা এর বেশি গোল করেছে, যা এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি টানা ম্যাচে একাধিক গোল করার যৌথ রেকর্ড (১৯৩০ থেকে ১৯৫৪ সালের মধ্যে উরুগুয়েরও এমন নজির ছিল)।

২০২২ বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে ২-১ গোলে হারের পর থেকে, বিশ্ব মঞ্চে ১১ ম্যাচে অপরাজিত আছে আর্জেন্টিনা (৯ জয়, দুই ড্র), যা প্রতিযোগিতার ইতিহাসে তাদের দীর্ঘতম অপরাজেয় যাত্রা।

৭২

দীর্ঘ ৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে খেলবে সুইজারল্যান্ড। সবশেষ তারা এই রাউন্ডে খেলেছিল ১৯৫৪ সালে। সব মিলিয়ে আগে তিনবার শেষ আটে খেলে কখনোই পরের ধাপে যেতে পারেনি দলটি।

৬

শেষ ষোলোয় মিশরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের পর ম্যাচ শেষে কাঁদতে দেখা যায় লিওনেল মেসিকে, আনন্দাশ্রু! ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা সেদিন দলকে সমতায় ফিরিয়ে প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা ছয় ম্যাচে গোল করার কীর্তি গড়েন। এছাড়া সব পর্ব মিলিয়ে বিশ্বকাপে গোল করেন রেকর্ড টানা নবম ম্যাচে। ছয় ম্যাচের বেশি নেই আর কারো। 

২

একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডও গড়েন মেসি। গ্রুপ পর্বে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পর, মিশরের বিপক্ষেও স্পট কিকে ব্যর্থ হন তিনি। বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি পেনাল্টি মিস করা একমাত্র খেলোয়াড় তিনিই।

৮

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আরেকটি রেকর্ডের হাতছানি মেসির সামনে। এবার তার করা আট গোল বিশ্বকাপের এক আসরে কোয়ার্টার-ফাইনালের আগ পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ। দক্ষিণ আমেরিকান দলগুলোর খেলোয়াড়দের মধ্যে কেবল ব্রাজিলের আদেমির (১৯৫০ সালে ৯টি) এক বিশ্বকাপে মেসির চেয়ে বেশি গোল করেছেন।