কষ্টের জয়ে আবার আর্সেনালের সঙ্গে ২ পয়েন্টের ব্যবধানে সিটি
প্রিমিয়ার লিগে টানা চার জয়ে মিকেল আর্তেতার দলের ওপর চাপ ধরে রাখল ম্যানচেস্টার সিটি।
প্রথমার্ধের বেশিরভাগ সময় নিজেদের খুঁজে ফিরল ম্যানচেস্টার সিটি। সেই তারাই বিরতির আগমুহূর্তে এগিয়ে গেল। পরের অর্ধে ওই ব্যবধান ধরে রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল পেপ গুয়ার্দিওলার দল।
লিডস ইউনাইটেডের মাঠে শনিবার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতেছে সিটি। একমাত্র গোলটি করেন অ্যান্টোয়ান সেমেনিও।
প্রিমিয়ার লিগে এই নিয়ে টানা চার ম্যাচ জিতল সিটি। শীর্ষস্থানের সঙ্গে ব্যবধানও কমাল তারা।
২৮ ম্যাচে ১৮ জয় ও পাঁচ ড্রয়ে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে সিটি। তাদের চেয়ে ২ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল।
সমান ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট তৃতীয় স্থানে অ্যাস্টন ভিলা।
সমান ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে পরের দুটি স্থানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুল। তবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড একটি ম্যাচ কম খেলেছে।
প্রথমার্ধে সিটির পারফরম্যান্স একদমই ভালো হয়নি। প্রায় ৭০ শতাংশ সময় বল দখলে রাখলেও, তাদের আক্রমণগুলো গোছানো ছিল না। প্রথম ৩৯ মিনিটে গোলের জন্য একটি শটও নিতে পারেনি তারা!
এই সময়ে বরং বেশ ভালো খেলে লিডস। ৩৯তম মিনিটেই প্রতি-আক্রমণে গোলরক্ষককে একা পেয়ে যান ব্রেন্ডেন অ্যারনসন। কিন্তু ওয়ান-অন-ওয়ানে জানলুইজি দোন্নারুম্মা সোজাসুজি শট নেন তিনি।
এর পরপরই পাল্টা আক্রমণে গিয়ে ভালো একটি সুযোগ পায় সিটি। তবে নিকো ও’রাইলির শট আটকে দেন লিডস গোলরক্ষক।
বিরতির আগের শেষ আক্রমণে গোলও পেয়ে যায় সিটি। বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে গোলমুখে পাস বাড়ান রায়ান আইত-নুরি, আর স্লাইড করে ডান পায়ের টোকায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন সেমেনিও।
জানুয়ারির শুরুতে বোর্নমাউথ থেকে সিটিতে যোগ দেওয়ার পর, দলটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগে এই নিয়ে চারটি গোল করলেন ঘানার এই উইঙ্গার। সিটির জার্সিতে দেড় মাসের মধ্যে তার গোল হলো ছয়টি।
দ্বিতীয়ার্ধে অধিকাংশ সময় পজেশন রাখার পাশাপাশি আক্রমণেও একচেটিয়া আধিপত্য করে সিটি। সেমেনিও, রদ্রি ও গেয়িরা ভালো কয়েকটি সুযোগও তৈরি করেন; কিন্তু গোল আর হয়নি।
২৮ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে ১৫ নম্বরে আছে লিডস ইউনাইটেড।
