বেনাপোলে ভোটের আগে নৌকায় সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ালেন মেয়র প্রার্থী
প্রায় একযুগ পর দ্বিতীয় বারের মত হতে যাওয়া এ নির্বাচনে ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
বেনাপোল পৌর ভোটের আগ মুহূর্তে নৌকার প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এক মেয়র প্রার্থী।
প্রচার-প্রচারণার শেষ দিন শনিবার রাতে নৌকা মার্কার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ফারুক হোসেন উজ্জ্বল।
আগামী সোমবার প্রথম শ্রেণির এ পৌরসভার অভিভাবক নির্ধারণে দ্বিতীয় বারের মত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
মেয়র প্রার্থী উজ্জ্বলের এ ঘোষণার ফলে এখন নৌকার মনোনয়ন পাওয়া বেনাপোল পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন ও মোবাইল ফোন প্রতীকে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান সজনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
বেনাপোল পৌর এলাকায় ৩০ হাজার ৩৮৫ জন ভোটার আছেন। এর মধ্যে পুরুষ ১৫ হাজার ৪৪ জন এবং নারী ভোটার ১৫ হাজার ৩৪১ জন।
ভোট থেকে সরে দাঁড়িয়ে উজ্জ্বল বলেন, “আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। জন্মের পর থেকেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমরা যুক্ত। শেখ হাসিনার নির্দেশনার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেই এই নির্বাচন থেকে সরে এসেছি।”
“দলকে ভালোবেসে দলের প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে বেনাপোল পৌরসভার স্বতন্ত্র প্রার্থী (জগ মার্কা) মেয়র নির্বাচন থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছি,” বলেন ফারুক হোসেন উজ্জ্বল।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) মনিরুল ইসলাম মনির, শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল হক মঞ্জু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মিঠুসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
২০০৬ সালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বেনাপোল ইউনিয়নের ১১টি গ্রামের অংশ নিয়ে বেনাপোলকে তৃতীয় শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করে। পরে ২০১০ সালের ১ ডিসেম্বর পৌরসভাটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি বেনাপোল পৌরসভার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফুল আলম লিটন। ওই বছরই প্রথম বারের মতো ভোট দেন বেনাপোল পৌর এলাকার ভোটাররা।
একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর পৌরসভাটি প্রথম শ্রেণির মর্যাদা পায়।
১৭ দশমিক ৪০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এ পৌর এলাকায় প্রায় ১০ হাজার পরিবারের এক লাখ ২০ হাজার মানুষের বাস।
প্রায় একযুগ পর দ্বিতীয় বারের মত হতে যাওয়া এ নির্বাচনে পৌরবাসীর মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
আরও পড়ুন:
