সিলেটে ছয় ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ’৩০-৩৫ শতাংশ’
“আমরা কোথাও কোনো অভিযোগ পাইনি”, বলেন ইসির যুগ্ম সচিব।
সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে; প্রথম ছয় ঘণ্টায় কোথাও কোনো বড় ধরনের অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি।
নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক দলের নেতা ও যুগ্ম সচিব মনিরুজ্জামান তালুকদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা নগরীর প্রায় সব ওয়ার্ডেই গেছি; অধিকাংশ কেন্দ্রই পরিদর্শন করেছেন আমাদের দলের সদস্যরা। এ সময় আমরা ভোটার ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি।
“এতে ধারণা করছি, দুপুর ২টা পর্যন্ত ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছে।”
নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হচ্ছে জানিয়ে ইসির যুগ্ম সচিব বলেন, “আমরা কোথাও কোনো অভিযোগ পাইনি।”
ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিচ্ছে এবং ভোটার উপস্থিতি ভাল বলে মন্তব্য করেন ইসি কর্মকর্তা।
প্রথম ৫ ঘণ্টায় প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে সিলেটের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের গণমাধ্যম শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক আহমেদ জানান।
সকাল থেকে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটারদের ভাল লাইন রয়েছে। তবে ইভিএমে ভোট গ্রহণের কারণে ভোটের গতি শ্লথ বলে অভিযোগ করেছেন ভোটাররা।
নগরীর ১৯০টি কেন্দ্রে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা একটানা চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এ সিটিতে ভোটার রয়েছেন ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৭৫৩ জন; সব কেন্দ্রেই এবার ইভিএমে ভোট হচ্ছে। এখানে মোট সাতজন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এখানকার মেয়র প্রার্থীরা হচ্ছেন- আওয়ামী লীগের মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী (নৌকা), জাতীয় পার্টির নজরুল ইসলাম বাবুল (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান (হাতপাখা) [বর্জন করলেও ইভিএম ব্যালটে নাম থাকবে], জাকের পার্টির মো. জহিরুল আলম (গোলাপ ফুল), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল হানিফ কুটু (ঘোড়া), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ছালাহ উদ্দিন রিমন (ক্রিকেট ব্যাট), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ জাহান মিয়া (বাস) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশতাক আহমেদ রউফ মোস্তফা (হরিণ)।
