সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর মন্দিরের মেলা থেকে চোর সন্দেহে ২৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
Published : 03 Apr 2023, 06:17 PM
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর মন্দিরের বারণী মেলা থেকে ‘চোর চক্রের’ ২৭ জন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রোববার মেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধররুল গ্রামের নারজিন বেগম (৩০), নাজমা বেগম (৩২), রিমা আক্তার (২৮), মহিমা আক্তার (৩৫), পপি বেগম (৩০), আয়েশা বেগম (৩৫), সুমি বেগম (৩০), বিলকিস বেগম (২৮), সুফিয়া বেগম (২২), শাহিদা বেগম (২৮), লুৎফা বেগম (২৫), নাজমা বেগম (৩০), রোকসানা বেগম (২৫), সালমা বেগম (৩৫), তাছলিমা বেগম (৩৫), রোজিনা বেগম (৩০), লাভলী আক্তার (৩৫), আছমা বেগম (৩৮), পারভিন বেগম (৩০), তাছলিমা আক্তার (৩৫), অনু আক্তার (৩০), আমেনা বেগম (৩০), ফুলচান বিবি (২৮), আছমা বেগম (২৫), হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুহেল মিয়া, শাহিন আলম (২০) এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ছাইদুল ইসলাম।
আশরাফুজ্জামান বলেন, “গোলাপগঞ্জের ঢাকা দক্ষিণ ইউনিয়নে অবস্থিত শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর মন্দিরের বার্ষিক কীর্তন ও বারণী মেলায় আগত পূণ্যার্থীদের বিভিন্ন মালামাল খোয়া যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। এরপর পুলিশ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে ২৭ জনকে আটক করে।
“প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা এ রকম ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জড়ো হয়ে চুরি করে থাকেন। তারা শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর মন্দিরের মেলায় চুরির উদ্দেশে আসেন এবং সুকৌশলে নিজেরাই ভিড় তৈরি করে পূণ্যার্থীদের অলংকার ও নগদ অর্থ হাতিয়ে নেন।“
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, “তাদের কাছ থেকে নয়টি সোনা চেইন, এক জোড়া হাতের বালা, চার জোড়া চুড়ি, ১৪ জোড়া কানের দুল, আটটি রূপাসদৃশ্য চেইন, আটটি রূপাসদৃশ্য নুপুর, ছয়টি শাঁখা, সাতটি মোবাইল ফোন এবং পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়।”
তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।