মাগুরায় শিক্ষার্থীকে হত্যার দায়ে একজনের ফাঁসি, ৫ জনের যাবজ্জীবন
মামলার আরেক আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত এবং একজনের বিচার চলছে শিশু আদালতে।
মাগুরায় এক পলিটেকনিক শিক্ষার্থীকে হত্যার দায়ে একজনের ফাঁসির রায় দিয়েছে আদালত; তাছাড়া আরও পাঁচজনকে দিয়েছে যাবজ্জীবন।
মাগুরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ফারজানা ইয়াসমীন বুধবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত মামলার প্রধান আসামি সেলিম আজাদ জেলার মহম্মদপুর উপজেলার মৌলবি জোকা গ্রামের বাসিন্দা।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন একই উপজেলার বালিদিয়া গ্রামে রুমা পারভীন, আবীর হোসেন, সাইদুর রহমান, মোমেনা খাতুন ও জাকির হোসেন মোহাম্মদ খালিদ।
তাছাড়া মামলার এক আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত এবং এক কিশোরীর বিচার চলছে শিশু আদালতে।
২০১২ সালের ২৬ অগাস্ট মেহেদী হাসান পাভেল হত্যা মামলায় আদালতের এই রায় আসে।
মেহেদী মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী। মৌলবি জোকা গ্রামের রেজাউর রহমান রিজুর ছেলে ছিলেন তিনি।
রাষ্টপক্ষের আইনজীবী আবু বক্কার মামলার নথির বরাতে জানান, ২০১২ সালের ২৬ অগাস্ট রাত ১০টার দিকে মেহেদীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর লাশ সেলিম আজাদের বাড়ির পাশে ফেলে রেখে রাত ৩টার দিকে স্বজনদের খবর দেয় খুনিরা।
পাভেলের বাবা রেজাউর রহমান রিজু পরদিন মহম্মদপুর থানায় আটজনের নামে মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে সবার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
আইনজীবী আবু বক্কার বলেন, মামলায় ১৪ জনের সাক্ষ্যসহ বিচার শেষে আদালত এই রায় দিল। আদালতের এ রায়ে নিহত পাভেলের বাবা রেজাউর রহমান রিজু সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
রিজু বলেন, “দীর্ঘদিন পরে হলেও এ রায়ের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”
তবে আসামিপক্ষ এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে বলে তাদের আইনজীবী রোকনুজ্জামান জানিয়েছেন।
