ফরিদপুরে হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ রেখে পালালেন স্বামী
সকালে ঘরের দরজা ভেঙে তামান্নাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে দাবি স্বামীর বাড়ির লোকজনের।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে এক গৃহবধূর লাশ রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী। স্বজনদের দাবি তাকে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ।
সোমবার সকাল ১০টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার চণ্ডিদাসদি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ভাঙ্গা থানার এসআই আরিফ।
নিহত তামান্না আক্তার মৌ (২৩) ওই এলাকার শাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী এবং পার্শ্ববর্তী নগরকান্দার উপজেলার রামেশ্বর এলাকার আতিয়ার রহমানের মেয়ে।
তামান্না মায়ের দাবি, “আমার মেয়েকে তার স্বামী শাখাওয়াত নির্যাতনের পর হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে। আমি বিচার চাই।”
স্বজন ও পুলিশ জানায়, সকালে তামান্নাকে ঘরের দরজা বন্ধ অবস্থায় পান শাখাওয়াত। পরে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। এরপর তামান্নাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা গ্রিন প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তামান্নাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই আরিফ বলেন, খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে। দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
