নারায়ণগঞ্জ-৩: লাঙলের প্রচার-মাইক ভাঙচুরের অভিযোগ
আওয়ামী লীগের প্রার্থী বলেন, “ঘটনাটি শোনার পর আমি খোঁজ নিয়েছি। উচ্চ শব্দে মাইক বাজানো নিয়ে এলাকাবাসী আপত্তি জানান।”
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার পক্ষে প্রচারের সময় হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় প্রচারকাজে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মাইক ভাঙচুর ও চালককে মারধর করা হয়েছে।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বেলাবো এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন লাঙ্গল প্রতীকের নির্বাচন সমন্বয়কারী হাফেজ মাহমুদুল আনোয়ার।
হামলার শিকার অটোরিকশার চালক শাহ্ আলম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থীর প্রচারণার জন্য তার অটোরিকশাটি ভাড়া করা হয়েছিল। সকালে বেলাবো এলাকায় লাঙলের পক্ষে ভোট চেয়ে মাইকে প্রচার চলছিল।
“সাড়ে ১১টার দিকে কয়েকজন যুবক মাইক বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে আমাকে তারা মারধর করেন এবং অটোরিকশা ভাঙচুর করেন। এ সময় মাইক ও মাইকের মেশিনে ভাঙচুর চালায় তারা।”
লাঙ্গল প্রতীকের নির্বাচন সমন্বয়কারী হাফেজ মাহমুদুল আনোয়ার বলেন, “লাঙলের পক্ষে জামপুর এলাকায় গণসংযোগের প্রস্তুতি চলছিল। গণসংযোগ শুরুর আগে মাইকিং করা হচ্ছিল। আওয়ামী লীগের লোকজন মাইকিংয়ে বাধা দিয়ে হামলা চালায়। আমরা এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেব।”
তবে, আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত বলেন, “ঘটনাটি শোনার পর আমি খোঁজ নিয়েছি। উচ্চ শব্দে মাইক বাজানো নিয়ে এলাকাবাসী আপত্তি জানান। পরে এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়।
এ ঘটনার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেউ জড়িত না। নির্বাচনি মাঠে ফায়দা নিতে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বানোয়াট অভিযোগ করছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও তার লোকজন।”
সোনারগাঁ থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এলাকাবাসীর মধ্যে ছোটখাটো তর্কবিতর্ক হয়, পরে তারা নিজেদের মধ্যে মীমাংসাও করে নেন।
“মারধর বা ভাঙচুরের মত কোনো অভিযোগ কেউ আমাদের কাছে করেননি”, বলেন ওসি।
