দিনাজপুরে অব্যাহত শৈত্য প্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত
বিরাজমান তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মৃদু, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে মাঝারি, ৪ থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে তীব্র এবং ৪ এর নিচে নেমে গেলে অতি তীব্র শৈত্য প্রবাহ ধরা হয়।
দিনাজপুরে তাপমাত্রার পারদ কমে গিয়ে কয়েকদিন ধরে মৃদু শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত আছে।
গত দুদিনের তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও তাতে শীতের তীব্রতা একটুও কমেনি।
সোমবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত রোববার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং শনিবার ছিল ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া দপ্তরের ভাষায় যাকে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বলা হয়।
বিরাজমান তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মৃদু, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে মাঝারি, ৪ থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে তীব্র এবং ৪ এর নিচে নেমে গেলে অতি তীব্র শৈত্য প্রবাহ ধরা হয়।
দিনাজপুরে অব্যাহত শৈত্য প্রবাহ আর ঘন কুয়াশার দাপটে হাড় কাঁপানো কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
বিশেষ করে, শ্রমজীবী মানুষেরা কাজ করতে গিয়ে দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা সড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
এদিকে, কনকনে শীতে সব বয়সের মানুষ কমবেশি সর্দি-কাশি-জ্বর ও ডায়রিয়া আক্রান্ত হচ্ছেন। এক্ষেত্রে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি।
দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুল কাইয়ুম জানান, শিশুরা জ্বর ও সর্দি-কাশির পাশাপাশি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে বেশি।
হাসপাতালে আক্রান্ত রোগীর চাপও বেশ বেড়েছে। শিশু ওয়ার্ডে ৩০ বেডের বিপরীতে অর্ধশত শিশু ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। বহির্বিভাগে রোগীর চাপ সব থেকে বেশি।
এমন বৈরী আবহাওয়ায় শিশুদের ঘরের বাইরে না নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে ডা. আব্দুল কাইয়ুম বলেন, “শিশুর পায়ে জুতা-মোজা এবং পুরো শরীর শীত বস্ত্রে আবৃত রাখতে হবে এবং টাটকা ও গরম খাবার খাওয়াতে হবে।”
