যমুনায় নিখোঁজ অন্তঃসত্ত্বা নারীর মরদেহ উদ্ধার
লাশ ভেসে উঠলে স্থানীয় লোকজন তা উদ্ধার করে।
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের বাঘুটিয়ায় যমুনা নদীতে গোসলে করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছে এক শিশু।
শুক্রবার সকালে উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় যমুনা নদীতে বর্ষা খাতুনের লাশ ভেসে উঠলে স্থানীয় লোকজন তা উদ্ধার করে বলে বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানান।
মৃত বর্ষা খাতুন (২২) উপজেলার বাচামারা পূর্ব পাড়া গ্রামের মো. আব্দুল বয়াতীর মেয়ে। তিনি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
আর নিখোঁজ হওয়া লামিয়া খাতুন একই গ্রামের মো. রাহেজ বয়াতীর মেয়ে।
আমজাদ বলেন, “শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় যমুনা নদীতে এক তরুণীর লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় কয়েকজন। পরে তারা লাশটি উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বর্ষার লাশ শনাক্ত করেন।”
স্থানীয়রা বলেন, গত ১১ জুন দুপুরে যমুনা নদীতে গোসল করতে নামেন ছয়জন। এক পর্যায়ে পানির স্রোতে ওই ছয় জন ডুবে যান। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তল্লাশি চালিয়ে চারজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে পারলেও নিখোঁজ হন বর্ষা খাতুন ও লামিয়া খাতুন।
ওইদিন বিকালে আরিচা স্থল কাম নদী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নিখোঁজ দুইজনের উদ্ধারে কাজ শুরু করলেও কারও সন্ধান পাওয়া যায়নি। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যমুনা নদীর বাচামারা পূর্বপাড়ায় অভিযান চালান ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা। এদিনও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
দৌলতপুর থানার ওসি এ আর এম আল-মামুন বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না পাওয়ায় লাশ পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
