২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮ আশ্বিন ১৪৩৩

‘গ্রামপুলিশকে মারপিট’: গাইবান্ধায় বিএনপির তিনজনের পদ স্থগিত

সাদুল্লাপুর থানার ওসি তাজউদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

‘গ্রামপুলিশকে মারপিট’: গাইবান্ধায় বিএনপির তিনজনের পদ স্থগিত
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন গ্রামপুলিশ।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Nov 2024, 05:26 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:01 AM

গ্রামপুলিশকে মারপিট করার অভিযোগে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় ইউনিয়ন বিএনপির শীর্ষ তিনজনের দলীয় পদ স্থগিত করা হয়েছে।  

শুক্রবার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ছামছুল হাসান ছামছুল ও সদস্যসচিব মো. আব্দুস সালাম মিয়ার যৌথ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহ মো. শওকত আলী মানিক, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সোনা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জাহাঙ্গীরের পদ স্থগিত করা হয়েছে। 

উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. আব্দুস সালাম মিয়া জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। 

এ বিষয়ে কথা বলতে কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহ মো. শওকত আলী মানিক ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সোনার মোবাইল কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। 

অভিযোগ আছে, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বিএনপি নেতা শাহ মো. শওকত আলী মানিক মিয়ার স্ত্রী মোছা. নিলুফা ইয়াছমিন তার জন্মনিবন্ধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যান। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আব্দুল কাদের মিয়া ও হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর বেলাল হোসেন তাকে দুপুরের পর আসতে বলেন। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। 

কিছুক্ষণ পর ওই নারী কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সোনাসহ ২০-২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে এসে সচিব ও হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরকে গালিগালাজ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তারা তাদের ওপর চড়াও হন। 

এ সময় ইউনিয়ন পরিষদে কর্তব্যরত গ্রামপুলিশরা বাধা দিলে তারা আব্দুল গণি আকন্দ নামে এক গ্রামপুলিশকে মারপিট করেন। এতে তার নাক ফেটে গিয়ে গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।  

কামারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এ আর এম মাহফুজার রহমান বলেন, “এ সময় তিনি ইউনিয়ন পরিষদে ছিলেন না। খবর পেয়ে ঘটনাটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবগত করেছেন।”  

সাদুল্লাপুর থানার ওসি মো. তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।