ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রেণিকক্ষেই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক শিক্ষক
শিশুটিকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষককে আটক করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোজাম্মেল হক মানিককে আটক করা হয় বলে জেলা পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান।
শিশুটিকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শিশুটির মা সাংবাদিকদের বলেন, রোজার মধ্যে ‘অতিরিক্ত ক্লাসের’ কথা বলে তার মেয়েকে স্কুলে ডেকে নিয়ে যায় শিক্ষক মানিক। তারপর দুপুরে অন্য শিক্ষার্থীদের চলে যেতে বলেন। সবাই চলে গেলে শ্রেণিকক্ষের দরজা বন্ধ করে মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়।
তারপর শিক্ষক নিজের মোটরসাইকেলে করে ছাত্রীকে বাড়ির পাশে রেখে যান। বাড়িতে গিয়ে মেয়ে কান্নাকাটি করে পরিবারকে বিষয়টি জানায়। স্কুলে যাওয়ার আধা ঘণ্টা পরেই সে বাড়ি চলে আসে। তখন পরিবার তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তণ ছাত্র দাবি করেন, এর আগেও একজন ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ণের অভিযোগে শিক্ষক মানিক ছয় মাস বহিষ্কৃত ছিলেন।
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রকিবুল আলম চয়ন বলেন, “ধর্ষণের ঘটনায় একজন শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন৷ তার প্রাথমিক চিকিৎসা শেষ হয়েছে। বাকি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।”
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
