ফুয়াদের সম্পদ ৭ লাখ টাকার, আয়ও সমপরিমাণ
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনে সহায়তা চাওয়ার ১০ ঘণ্টার মধ্যে ২২ লাখ টাকা পাওয়ার কথা জানান।
আমার বাংলাদেশ-এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ফুয়াদ বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসন থেকে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টকশোর কল্যাণে তিনি জাতীয় রাজনীতিতেও বেশ পরিচিত মুখ।
নির্বাচনের হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফুয়াদ সাত লাখ টাকার সম্পদের মালিক। বছরে তিনি আয় সাত লাখ ৪১ হাজার টাকা।
এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফুয়াদ চেম্বার থেকে বছরে সম্মানী পান চার লাখ ১০ হাজার টাকা। এ ছাড়া টক শো, ফেইসবুক ও ইউটিউব থেকে বছরে আয় করেন তিন লাখ ২৬ হাজার টাকা। সঞ্চয়পত্র থেকে বছরে তার আয় আছে পাঁচ হাজার ৬০২ টাকা।
অস্থাবর সম্পদের মধ্যে ফুয়াদের কাছে নগদ রয়েছে দুই লাখ টাকা। তার গৃহিনী স্ত্রীর কাছে নগদ আছে আরও ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংকে আমানত সাড়ে তিন লাখ টাকা।
স্থাবর সম্পদের মধ্যে নিজের দেড় লাখ টাকা এবং স্ত্রীর এক লাখ টাকার ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী রয়েছে। নিজের কোনো আসবাবপত্র নেই। স্ত্রীর ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র রয়েছে।
নিজের ও স্ত্রীর উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদ রয়েছে। তা নিজেদের নামে বণ্টন হয়নি। নিজের সাত লাখ টাকার পাশাপাশি হলফনামায় স্ত্রীর দুই লাখ এক হাজার টাকার সম্পদ বর্ণনা করেছেন ফুয়াদ।
তার আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ পাঁচ লাখ ৯১ হাজার ২৮৪ টাকা। এর মধ্যে ছয় লাখ চার হাজার ৯৩৫ টাকা করযোগ্য এবং এক লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৭ টাকা করমুক্ত। আয়কর দিয়েছেন ২০ হাজার ৭৭৩ টাকা।
আসাদুজ্জামান ফুয়াদ দ্বৈত নাগরিক ছিলেন। তবে কোন দেশের নাগরিক ছিলেন সেটা বলেননি। সেখানে ‘প্রযোজ্য’ নয় লিখেছেন। নাগরিকত্ব ত্যাগের তারিখও ‘প্রযোজ্য’ নয় লিখেছেন।
ফুয়াদের মনোনয়নপত্র এরই মধ্যে গৃহীত হয়েছে। ৪ জানুয়ারি রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় তিনি ভোটারদের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চান। এর ১০ ঘণ্টা পর আরেকটি বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, ২২ লাখ সহায়তা পেয়েছেন।
