বরগুনায় নদীতে পড়ে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার
তার ভাই জানান, পেটে অস্ত্রোপচারের দাগ দেখে মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে।
বরগুনার আমতলীতে ট্রলার থেকে পায়রা নদীতে পড়ে নিখোঁজের দুদিন পর এক জেলের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।
শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া এলাকা সংলগ্ন পায়রা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয় বলে তালতলী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র জানিয়েছেন।
নিহত মো. ওমর আলী গাজী (৫৫) আমতলী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের লোচা এলাকার মৃত্যু আব্দুল হাকিম গাজীর ছেলে।
নৌ-পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আমতলী উপজেলার লোচা এলাকার কাছে পায়রা নদীতে ইলিশ ধরার জাল ও সরঞ্জাম তুলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত পড়ে নিখোঁজ হন ওমর আলী গাজী।
ওমর আলীর সঙ্গে থাকা জেলে জলিলুর রহমান বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারের চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও উপজেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালান। তবে ওই দিন তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজের দুদিন পর শুক্রবার সকালে তালতলী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া এলাকার কাছে পায়রা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় জেলেরা।
খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসে। পরে ওমর আলী গাজীর স্বজনেরা মরদেহটি শনাক্ত করেন।
নিহতের ভাই আক্কেল আলী গাজী বলেন, “আমার ভাই নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই আমরা নদীর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করছিলাম। সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি। পেটে অপারেশনের দাগ দেখে ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করেছি।”
নৌ-পুলিশ কর্মকর্তা সাগর ভদ্র বলেন, “উদ্ধার মরদেহটি নিখোঁজ জেলে ওমর আলী গাজীর বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
