গাজীপুরে তালাবদ্ধ বাসা থেকে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
শুক্রবার ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ বের হলে পাশের ভাড়াটিয়ারা বিষয়টি ভবনের ম্যানেজারকে জানান।
গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকার একটি ফ্লাট থেকে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বজনদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে কক্ষে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার সন্ধ্যায় সিটি করপোরেশনের রওশন সড়ক বালুর মাঠ এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন বাসন থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীন খান।
নিহত এফ এ ওমর ফারুক রংপুর জেলার মহেষা গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে। তিনি রওশন সড়ক বালুর মাঠ এলাকায় স্থানীয় কামরুল ইসলামের বাসার চতুর্থ তলায় ভাড়ায় বসবাস করতেন।
ওসি শাহীন খান বলেন, শুক্রবার ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ বের হলে পাশের ভাড়াটিয়ারা বিষয়টি ভবনের ম্যানেজারকে জানান। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভেঙে ফারুকের মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে নিহত ওমর ফারুকের বড় ভাই সৈয়দ মুহাম্মদ ইকবাল বলেন, ফারুক আমার কাছেই ছিল। কাপড়ের ব্যবসা করবে জানিয়ে বাড়ি থেকে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা নিয়ে মে মাসে ওই ফ্ল্যাটের মেসে ওঠেন ফারুক।
“শুক্রবার সন্ধ্যায় থানা থেকে ফোন দিয়ে ফ্ল্যাট থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে জানিয়ে মরদেহ শনাক্তের কথা বলে পুলিশ। পরে রাতে গিয়ে আমি ছোট ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করি।”
ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিচার দাবি করে তিনি বলেন, ওই ফ্ল্যাটে এক নারী, পুরুষ ও দুজন বাচ্চা থাকলেও মরদেহ উদ্ধারের পর তাদের হদিস মিলছে না।
ওসি মোহাম্মদ শাহীন খান বলেন, আনুমানিক ৪-৫ দিন আগে ফারুকের মৃত্যু হয়েছে। তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “ফারুককে কারা, কিভাবে হত্যা করা হয়েছে তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে।
এ ব্যাপারে স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওসি।
