নোয়াখালীতে তরুণকে ‘বেঁধে মারধর’
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ তুলে এক তরুণকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহত রবিউল হোসেন দিদার (২০) বারিপুকুরপাড় এলাকার অজিউল্লাহর ছেলে। তাকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দিদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কিছুদিন আগে সোন্দলপুর ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য শাহেনা আক্তারের স্বামী রুহুল আমিন মানিকের একটি মোটরসাইকেল চুরি হয় বলে শুনেছি।
“শনিবার রাত ৮টার দিকে এলাকার ‘সন্ত্রাসী সোহাগ ও খোকন’ তাকে জোর করে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়।
“পরে পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে আমার হাত-পা ও মুখ বেঁধে সোহাগ, খোকন, বুবুল, সাদ্দাম ও আক্তার চৌকিদারসহ ৮-১০ জন তিন-চার ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় মারধর করে।”
এ সময় তার মুখের ভিতর কাপড় ঢুকিয়ে দেওয়ায় তিনি চিৎকার করতে পারেননি বলে অভিযোগ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, দিদারকে তুলে নেওয়ার পর এলাকার লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির সময় সন্ত্রাসীরা তাকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পরিত্যক্ত বাড়িতে ফেলে চলে যায়।
স্থানীয় মিজানুর রহমান জানান, দিদার একজন পরিবহন শ্রমিক। মোটরসাইকেল চুরির দিন দিদার ঢাকায় তার বাবার কাছে ছিলেন। এলাকায় তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ নেই। তারা বাবা ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে দারোয়ানের কাজ করেন।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী জানান, দিদারের শরীরের কয়েক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য শাহেনা আক্তার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমার স্বামীর মোটরসাইকেল চুরির বিষয়ে তিনি সোহাগসহ স্থানীয় কয়েকজনকে জানালে তারা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিদারকে একটি বাড়িতে নিয়ে যায় বলে শুনেছি। তাকে পিটিয়ে আহত করেছে অন্য লোকজন।”
এ ব্যাপারে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কবিরহাট থানার ওসি মোক্তার হোসেন জানান।
