কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্টকে কুপিয়ে জখম
“পলাশ আমার নির্বাচনি এজেন্ট। সে যাতে আমার পক্ষ হয়ে কাজ করতে না পারে, এজন্য তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।”
ব্রাহ্মণবাড়িযার কসবা উপজেলা নির্বাচনের এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থককে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকরা কুপিয়ে আহত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার ভোররাতে উপজেলার শাহপুর এলাকায় এ হামলা হয় বলে কসবা থানার ওসি রাজু আহমেদ জানান।
আহত ব্যক্তির নাম এমদাদুল হক পলাশ। তিনি কসবা উপজেলার নির্বাচনে আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী রাশেদুল কাউসার ভুইঁয়া জীবনের সমর্থক বলে জানা গেছে।
পাশাপাশি কসবা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকও তিনি। পলাশ এখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় আনারস প্রতীকের প্রার্থী অভিযোগ তুলেছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাইদুর রহমানের সমর্থক এম এ আজিজের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আজিজ।
ওসি রাজু বলেন, ভোরে বাড়ি যাওয়ার পথে শাহপুর এলাকায় একদল সন্ত্রাসী পলাশের রাস্তা আটকে তাকে কুপিয়ে জখম করে। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখানে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে পাঠানো হয় জেলা সদর হাসপাতালে।
হামলার প্রসঙ্গে আনারস প্রতীকের রাশেদুল ভুইঁয়া কাউসার জীবন বলেন, “নির্বাচনের প্রচার শুরুর পর থেকে প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান প্রার্থীর লোকজন আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে; তাদের মারধর করছে।”
নির্বাচনে ভয়-ভীতি সৃষ্টি করতে এবং ভোটাররা যাতে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে, এজন্য এসব হামলা চালানো হচ্ছে বলে তার অভিযোগ।
রাশেদুল বলছিলেন, “এরই ধারাবাহিকতায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ছাইদুর রহমানের সমর্থক এম এ আজিজের নেতৃত্বে পলাশের ওপর এ হামলা করা হয়েছে। পলাশ আমার নির্বাচনি এজেন্ট।
“সে যাতে আমার পক্ষ হয়ে কাজ করতে না পারে, এজন্য তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। আমি এ ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা করব।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কসবা জেলা পরিষদের সদস্য এম এ আজিজ বলেন, “রাশেদুলের এ অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা। আমি এ ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবে জড়িত নই।”
এদিকে এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে বলে ওসি রাজু আহমেদ জানালেও তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে সোমবার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
