২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

গত বছরের সিলেব‍াসে পরীক্ষা দিয়ে বিপাকে যশোরের ১২ শিক্ষার্থী

একাডেমিক সুপারভাইজার নুরুজ্জামান বলেন, “বিষয়টি জানার পর পরই আমরা তদন্ত শুরু করি।”

বেনাপোল প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 23 Apr 2026, 10:24 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:28 PM

যশোরের শার্শা উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে বিগত বছরের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্র সরবরাহ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

বৃহস্পতিবার সেই প্রশ্নপত্রে বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা দিয়ে বিপাকে পড়েছে ১২ শিক্ষার্থী। 

তাদের অভিযোগ, পরীক্ষায় ২০২৬ সালের সিলেবাসের পরিবর্তে ২০২৫ সালের পুরনো সিলেবাসের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়েছে। 

১২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে বাগআচড়া ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঁচজন এবং সেতাই এসিআই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাতজন।

পরীক্ষার্থীরা জানায়, বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ২০৬ নম্বর কক্ষে ২৩ নিয়মিত পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। পরীক্ষা শেষ হলে একজন ছাত্র বুঝতে পারে সে ২০২৫ সালের পুরনো সিলেবাসের প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে। অথচ সে নতুন সিলেবাসের পরীক্ষার্থী।

পরে বিষয়টি শিক্ষকদের জানালে একে একে ১২ জন পরীক্ষার্থী ওই ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন বলে জানা যায়। এ ঘটনা জানাজানি হলে কেন্দ্রের পরিবেশও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। 

পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করতে বলা হয় বলে অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা। এতে ১২ শিক্ষার্থীর ফলাফল ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

কেন্দ্রের দায়িত্বশীলরা এ ঘটনার দায়ভার এড়াতে পারে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে হল সুপার সহকারী শিক্ষক ফারুক হোসেন বলেন, “আমরাও কনফিউজড যে কিভাবে একই রুমে একই সাবজেক্ট আলাদা দুটি প্রশ্ন আসলো। আমরা ১২ শিক্ষার্থীর বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডে যাব।”

এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের একাডেমিক সুপারভাইজার নুরুজ্জামান বলেন, “বিষয়টি জানার পর পরই আমরা তদন্ত শুরু করি। প্রশ্ন নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাচাই-বাছাই শেষে ঘটনার সত‍্যতার প্রমাণ পাওয়া যায়। কেন্দ্র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে।” 

ওই ১২ শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র পৃথক করে যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার বসা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।