২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

এক মাস পর বান্দরবান-থানচি সড়কে যান চলাচল শুরু

উভয় দিক দিয়ে জিপ গাড়ি ও মোটরসাইকেল চলাচল শুরু করেছে। তবে বাস চলাচল করেনি।

বান্দরবান প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Oct 2023, 06:35 PM

Updated : 18 Oct 2023, 06:35 PM

অতিবৃষ্টি ও পাহাড় ধসে এক মাস বন্ধ থাকার পর বান্দরবান-থানচি পথে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে; তবে জেলা শহরের সঙ্গে রুমা উপজেলার যোগাযোগ এখনও বন্ধ।

বুধবার দুপুর থেকে বান্দরবান-থানচি সড়কে জিপ ও মোটরসাইকেলের মতো যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানচির ইউএনও আবুল মনসুর।

তিনি বলেন, “দুপুর থেকে উভয় দিক দিয়ে জিপ গাড়ি ও মোটরসাইকেল চলাচল শুরু করেছে। তবে বাস চলাচল করেনি। শিগগিরই বাস চলাচলও শুরু হবে।”

বান্দরবান-থানচি সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হওয়ার কথা শুনছেন জানিয়ে বান্দরবান-থানচি বাসস্টেশনের লাইন ম্যানেজার সাহাব উদ্দিন বলেন, “বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে বাস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

সেনাবাহিনীর ২০ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়নের ওয়ারেন্ট অফিসার রাহুল হাসান পার্থ জানান, পাতুই ম্রো পাড়া ও পোড়া বাংলা এলাকায় অতিবৃষ্টিতে সড়ক ধসে গিয়ে গত ৭ অগাস্ট থেকে বান্দরবান-থানচি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ছিল। ধসে যাওয়া জায়গায় পাহাড় কেটে বিকল্প সড়ক তৈরি করা হয়। ‘ব্রিক সোলিংয়ের’ কাজ শেষ হওয়ার পর সড়কটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

"স্বাভাবিকভাবে আজ থেকে বান্দরবান-থানচি সড়ক যোগাযোগের আর সমস্যা থাকল না। এখন অনায়াসে যে কেউ থানচি ভ্রমণে যেতে পারবেন। বান্দরবান-রুমা সড়ক যোগাযোগও কিছুদিনের মধ্য স্বাভাবিক হবে।"

গত মাসের শুরুতে এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়ে পড়ে বান্দরবানের অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল। কোথাও পাহাড় ধসে, কোথাও সড়ক ধসে গিয়ে বান্দরবান থেকে রুমা ও থানচি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

বিকল্প পথ হিসেবে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় সাঙ্গু নদী পথে যাতায়াত করছিলেন স্থানীয়রা। তবে এক্ষেত্রে জেলা শহর থেকে রুমায় পৌঁছতে সময় লাগত সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা; থানচি পৌঁছতে ৬ ঘণ্টা। ভাড়াও গুনতে হচ্ছিল দ্বিগুণ।

[ প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে:ফেইসবুক লিংক]