১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

কু‌ড়িগ্রা‌মে ২০ বছর আগে চাচা-ভাতিজাকে হত্যা: একজনের যাবজ্জীবন

এ ছাড়া মামলায় চারজনকে তিন বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

কু‌ড়িগ্রা‌মে ২০ বছর আগে চাচা-ভাতিজাকে হত্যা: একজনের যাবজ্জীবন

কুড়িগ্রাম জেলা জজ আদালত।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 15 Oct 2026, 06:51 PM

Updated : 15 Oct 2026, 06:59 PM

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় চাচা ও ভাতিজাকে হত্যার ২০ বছর পর একজনকে যাবজ্জীবন এবং চারজনকে তিন বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন চার আসামি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. জয়নাল আবেদীন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌঁসুলি (এপিপি) তারিকুর রহমান তারিক।

যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া আব্দুল মমিন (৫২) উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নে কাশিয়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

তিন বছর সাজা পাওয়ারা হলেন- আমিনুল ইসলাম (১৯), সিদ্দিক বলী (৩৬), সফিকুল ইসলাম (২৫) এবং আবু বক্কর (৩০)। তারা একই এলাকার বাসিন্দা।

খালাস পাওয়ারা হলেন- মাইদুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, হোসেন আলী এবং হাসেন আলী।

মামলার বরাতে এপিপি তারিক বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ২০০৬ সালের ২৭ অক্টোবর কাশিয়াবাড়ি গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় জালাল উদ্দিন ৫৫) এবং তার ভাতিজা খলিলুর রহমান (২০) আহত হন।

ঘটনার তিন দিন পর ৩০ অক্টোবর জালাল উদ্দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আর ভাতিজা খলিলুর রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০০৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মারা যায়।

পরে এ ঘটনায় জালাল উদ্দিনের ছোট ভাই মো. আব্দুর রউফ বাদী হয়ে রৌমারী থানায় হত্যা মামলা করেন বলে জানান তিনি।

সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আব্দুল মমিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়; যা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর কারাবাসে থাকতে হবে বলে জানান এপিপি তারিক।

এ ছাড়া চার আসামিকে তিন বছর কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়; যা অনাদায়ে তাদের আরও এক মাস কারাবাসে থাকতে হবে বলে জানান তিনি।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে এপিপি তারিক বলেন, “দীর্ঘ ২০ বছর পর এ মামলার রায় হয়েছে। এ রায়ের ব্যাপারে আমি সন্তুষ্ট। তবে আসামিরা অনুপস্থিত ছিলেন।”

আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু।