০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ, উৎপাদনে ফিরতে ‘সময় লাগবে’

প্রধান প্রকৌশলী বলেন, টারবাইন ঠান্ডা হতেই ১৫-২০ দিন সময় লাগে। ঠান্ডা হবার পর কাজে হাত দেয়া যাবে।”

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 07 Oct 2026, 03:22 PM

Updated : 07 Oct 2026, 03:22 PM

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দুই দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের চলমান দুটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

ত্রুটি শনাক্ত করে তা মেরামত করে উৎপাদনে ফিরে আসতে বেশ সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন তাপ বিদ্যুৎ কেন্দের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক।

তিনি বলেন, সোমবার ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এক নম্বর ইউনিটের ক্যাবলে বড় ধরনের ক্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার ভোরে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তিন নম্বর ইউনিটেও টারবাইনে বড় ধরনের ক্রুটি দেখা দেয় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

প্রধান প্রকৌশলী বলেন, “পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফিরতে সময় লাগবে। টারবাইন ঠান্ডা হতেই ১৫-২০ দিন সময় লাগে। ঠান্ডা হবার পর কাজে হাত দেয়া যাবে।”

তবে এক নম্বর ইউনিটকে আগে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করা হবে বলে জানান তিনি।

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট।

এর মধ্যে এক ও দুই নম্বর ইউনিট ১২৫ মেগাওয়াট করে এবং তিন নম্বর ইউনিট ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন। দুই নম্বর ইউনিটটি পুরোপুরি বিকল হয়ে ২০২০ সাল থেকেই বন্ধ রয়েছে।

তবে বন্ধের আগে এক নম্বর ইউনিট থেকে ৫৫ থেকে ৬০ মেগাওয়াট এবং তিন নম্বর ইউনিট থেকে ১৬৫ থেকে ১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।

ফলে কেন্দ্রটি পুরোপুরি বন্ধের পর প্রায় ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রভাব পড়েছে জাতীয় গ্রিডে। এর প্রভাবে লোড শেডিংও বেড়ে গেছে।