২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ঈদের ছুটি: এখনো জমে ওঠেনি খাগড়াছড়ির পর্যটন

আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক বলেন, “কাল-পরশু (রোববার-সোমবার) যেহেতু বন্ধ রয়েছে সেক্ষেত্রে হয়তো পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়বে।”

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 May 2026, 02:30 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:19 PM

এবার কোরবানির ঈদের ছুটিতে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের সমাগম তুলনামূলক কম। ঈদের পরদিনও জনপ্রিয় পর্যটন স্পটগুলো পর্যটকদের পদচারণায় সেভাবে মুখর হয়ে ওঠেনি। 

তবে পশু কোরবানির ব্যস্ততা শেষ হওয়ায় শনি ও রোববার পর্যটক সমাগম বাড়বে বলে আশা খাত সংশ্লিষ্টদের। 

সবুজ পাহাড়, ঝিরি-ঝর্ণা, লেক ও উপত্যকার অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা খাগড়াছড়ি। যে কোনো বড় ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে আসা পর্যটকেরা পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন।

বিশেষ করে ঈদের দীর্ঘ ছুটিকে কাজে লাগিয়ে ব্যস্ত নগরজীবন থেকে কিছুটা সময় প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটাতে অনেকই খাগড়াছড়িতে ভিড় করেন। 

এ সময় জেলার আলুটিলা রহস্যময় গুহা, রিছাং ঝর্ণা, তারেং, জেলা পরিষদ পার্ক, মায়াবিনী লেক, অরণ্য কুটির, মানিকছড়ি ডিসি পার্ক এবং সাজেক ভ্যালীসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে।

তবে এবারের ছুটিতে পর্যটন স্পটগুলোয় উপস্থিতি কম হলেও যারা বেড়াতে এসেছেন তারা পাহাড়ের সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ। 

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক আবির বলেন, “কোরবানির ঈদে লম্বা ছুটি পাওয়ায় পাহাড়ে ঘুরতে এসেছি। শহরের ব্যস্ত জীবনে ঘুরে বেড়ানোর সময় হয়ে ওঠে না। খাগড়াছড়ির সবুজ পাহাড় সত্যিই অসাধারণ। এখানে এলে মন ভালো হয়ে যায়।”

আরেক পর্যটক সুমন চৌধুরী বলেন, “বৃষ্টি দেখতেই এবার পাহাড়ে আসা। মনে হচ্ছে ভিড় কিছুটা কম হবে। তাই ঈদের দিন রাতে বাসে উঠেছে। সকালে নেমে আশপাশের কিছু স্পট ঘুরেছি। 

“আরও দুদিন থাকব। সাজেকেও যাব। বৃষ্টির দিনে পাহাড়ে বেড়াতে বেশ ভালো লাগে।” 

আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক চন্দ্র কিরণ ত্রিপুরা বলেন, “ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে ঈদের দিন শুক্রবার পর্যটকদের উপস্থিতি কম ছিল। তবে শনিবার কিছুটা বেড়েছে। আশা করি কাল-পরশু (রোববার-সোমবার) যেহেতু বন্ধ রয়েছে সেক্ষেত্রে হয়তো পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়বে।"

খাগড়াছড়ি ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের এসআই মো. কোরবান আলী বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে নিয়মিত টহল অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।"