জনগণের টাকায় শিক্ষকদের বেতন হয়, অনিয়ম করলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
“এবার খাতা সম্পন্ন দেখার আইন যুক্ত করা হয়েছে। এতে যদি পরীক্ষকও ভুল করে তা স্পষ্ট হবে। ছাত্রের আক্ষেপ দূর হবে।”
শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে কোনো ধরনের বাড়তি সুবিধা নেওয়া বা আর্থিক অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার বিকালে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের হল রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অতিরিক্ত ফি আদায় করা হলে সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না।”
অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেছেন, যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর যেনো অযাচিত কিছু চাপিয়ে না দেওয়া হয় সে বিষয়েও কাজ করছে সরকার।
এহছানুল হক মিলন বলেন, “পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিগত সময়ে পাবলিক পরীক্ষার যে আইন ছিল, সে আইনে খাতা আপনি কখনো দেখতে পাবেন না। আপনি ফেল করেছে মানে ফেলই করেছেন।
“আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি খাতার উপরের অংশ ঠিক থাকলেও ভেতরের পাতা পাল্টে দেওয়া হতো। এভাবে অনেক ছাত্রের ভাগ্যের বিভ্রান্তি হয়েছে। সেজন্য এবার খাতা সম্পন্ন দেখার আইন যুক্ত করা হয়েছে। এতে যদি পরীক্ষকও ভুল করে তা স্পষ্ট হবে। বিশেষ করে ছাত্রের আক্ষেপ দূর হবে।”
ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মিলন।
এ সময় ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান রোকনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
