ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকদের মামলা প্রত্যাহারসহ ২ ওসির অপসারণের দাবি
গত ৭ অগাস্ট দৈনিক যুগান্তর ও আরটিভির অনলাইনে আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করা হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১০টায় আখাউড়া শহরের পৌর মুক্তমঞ্চের সামনে এ মানববন্ধন থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারসহ দুই ওসির অপসারণের দাবি করা হয়েছে।
মানববন্ধনে আখাউড়া প্রেস ক্লাব, টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, রিপোটার্স ইউনিটি, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম, সাংবাদিক কল্যাণ সোসাইটির সাংবাদিকেরা অংশ নেয়।
এছাড়াও মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ, ঐক্যবদ্ধ আখাউড়া, ইনসানিয়াত বিপ্লবসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
গত ৭ অগাস্ট দৈনিক যুগান্তর ও আরটিভির অনলাইনে আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ইনচার্জসহ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
এরপর আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে ১২ অগাস্ট দৈনিক যুগান্তরের জেলা স্টাফ রিপোর্টার ফজলে রাব্বি ও আরটিভির আখাউড়া প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও মানহানির অভিযোগ এনে মামলা করেন।
এই মামলার প্রতিবাদেই শুক্রবার মানববন্ধন করেন আখাউড়ার সাংবাদিকরা।
আখাউড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহাদাত হোসেন লিটনের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মনসুর মিশন, পৌর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রহমান কাশগরি, সাবেক পৌর কাউন্সিলর মো. মন্তাজ মিয়া, দৈনিক যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি সোহরাব হোসেন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের আখাউড়া শাখার সভাপতি আফজাল খান শিমুল, এনসিপির প্রতিনিধি আসিফ নেওয়াজ, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের প্রতিনিধি শওকত চৌধুরী। সঞ্চালনা করেন আখাউড়া প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাজী হান্নান খাদেম।
মানববন্ধন থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ইমিগ্রেশন ওসি মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার ও আখাউড়া থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিনের প্রত্যাহার এবং দৈনিক যুগান্তর ও আরটিভিতে প্রকাশিত ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার তিন দফা দাবি জানানো হয়।
