নিষেধাজ্ঞা শেষে মধ্যরাতে কাপ্তাই হ্রদে নামছেন জেলেরা
১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এবার তা দুই দিন বাড়িয়ে ২ অগাস্ট পর্যন্ত করা হয়।
তিন মাস দুই দিন নিষেধাজ্ঞা শেষে রাঙামাটির কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারে নামছেন জেলেরা।
শনিবার মধ্যরাত থেকে জেলেরা কাপ্তাই হ্রদে জাল ফেলতে পারবেন বলে জানান কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণণকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক কমান্ডার মো. ফয়েজ আল করিম।
মাছ আহরণকে ঘিরে জাল বুননসহ আনুষঙ্গিক সব কাজ সম্পন্ন করেছেন জেলেরা। জমজমাট হয়ে উঠেছে বিপণণকেন্দ্রগুলো। বরফকলসহ অন্যান্য শ্রমিক-কর্মচারীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
মাছ অবতরণ (ল্যান্ডিং) ও বাজারজাতকরণের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনও (বিএফডিসি)।
ফয়েজ আল করিম বলেন, বিএফডিসির রাঙামাটির প্রধান বিপণনকেন্দ্রসহ মারিশ্যা, কাপ্তাই ও মহালছড়ি উপকেন্দ্রের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মধ্যরাত থেকে জেলেরা হ্রদে মাছ শিকারে নামছেন।
রোববার ভোর ৬টা থেকে শুল্কহার আদায় এবং বাজারজাতকরণ শুরু হবে বলে জানান তিনি।
৭২৫ বর্গ কিলোমিটারের কাপ্তাই হ্রদে কার্পজাতীয় মাছের পোনার প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত, অবমুক্ত করা পোনার সুষম বৃদ্ধির লক্ষে প্রতি বছর ১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত হ্রদে মাছ শিকার বন্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় প্রশাসন।
চলতি মৌসুমে তিন মাসের নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা শেষে বিএফডিসি প্রস্তুতির জন্য আরও দুই দিন বাড়িয়ে ২ অগাস্ট পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো হয়। ফলে ৩ অগাস্ট থেকে হ্রদে নামছেন জেলেরা।
রাঙামাটির কাউখালী এবং রাজস্থলী উপজেলা ব্যতীত বাকি আট উপজেলা এবং খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ও মহালছড়ি উপজেলা নিয়ে কাপ্তাই হ্রদ বিস্তৃত।
বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদ নির্ভর নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ২৭ হাজারের কাছাকাছি বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য বিভাগ।
