খাল খনন ‘বিপ্লব’ শেষ হলে স্বনির্ভর দেশ অব্যাহত থাকত: পানিসম্পদ মন্ত্রী
লক্ষ্মীপুরের সি-খাল পুনঃখননে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে দুই কোটি ৮৪ লাখ টাকা।
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন ‘বিপ্লব’ শেষ হলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত বলে মনে করেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি বলেছেন, “জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি একটি বিপ্লব ছিল। এ বিপ্লবটা সমাপ্ত হয়নি। বিপ্লবটি যদি প্রেসিডেন্ট জিয়ার চিন্তা ধারণা দূরদর্শিতার আলোকে সমাপ্ত হত, তাহলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত। বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
“চর্চা নেই, এখন চর্চা শুরু হয়েছে। তার মানে অসমাপ্ত কাজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমাপ্ত হবে। যত বাধা-বিপত্তিই থাকুক, খাল খালের গতিতে চলবে, প্রবাহ প্রবাহের গতিতে থাকবে। এটি হল জনগণের চাওয়া, জনগণের পাওয়া।”
শুক্রবার বিকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হামছাদী ইউনিয়নের কাফিলাতলি বাজার এলাকায় খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব বলেন তিনি।
এর আগে মন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে কাফিলাতলি বাজার থেকে হামছাদী এলাকার ১২ দশমিক ৬ কিলোমিটার সি-খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বলেন, “খাল খনন করতে গিয়ে দেখি খালের মাঝখানে দোকান-বাড়িঘর গড়ে উঠেছে। যদি স্বনির্ভর বাংলাদেশের কাজ অব্যাহত থাকত, তাহলে খালের মধ্যে দোকান-বাড়িঘর হত না। কলকারখানার বর্জ্য বা মানুষের বাসাবাড়ির ড্রেন খালে পড়ত না।”
লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক এবং লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খান উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭৮ সালে খনন হওয়া সি-খালটি খননে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে দুই কোটি ৮৪ লাখ টাকা। খালটি খনন হলে সদরের হামছাদী ও রায়পুরের বামনী ইউনিয়নসহ চারটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ জলাবদ্ধতা ও কৃষি কাজে সুফল পাবেন। খনন কার্যক্রম উদ্বোধন হওয়া খালের প্রস্ত ২০ থেকে ৩৫ মিটার।
