০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

নিউ ইয়র্কে মা দিবস ও বৈশাখ উদযাপন করল ‘বহ্নিশিখা’

অনুষ্ঠানে মূল আকর্ষণ ছিল সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন সবিতা দাসের সংবর্ধনা।

বিডিনিউজ২৪

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 12 May 2026, 02:03 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:35 PM

বিদেশের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতি ও শেকড়ের টানকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে নিউ ইয়র্কে উদযাপিত হলো মা দিবস ও  বৈশাখী উৎসব।

শনিবার জ্যাকসন হাইটসের জুইশ কমিউনিটি সেন্টারে ‘বহ্নিশিখা সঙ্গীত নিকেতন’-এর উদ্যোগে এ বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

‘মা আমার মা-স্নেহময়ী মা’ শিরোনামের ব্যানারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মূল আকর্ষণ ছিল সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন সবিতা দাসের সংবর্ধনা। 

প্রবাসী প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতি রক্ষায় দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তারই স্বীকৃতি হিসেবে গত ৩১ মার্চ জাতিসংঘের সংস্থা ‘মিস ক্যারিকম ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন’ তাকে ‘শান্তির দূত’ খেতাব দেয়। এ অর্জনের আনন্দ ভাগাভাগি করতে উপস্থিত মায়েরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শাহীন ইবনে দিলওয়ার তার লেখা কবিতাপাঠের মাধ্যমে মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের মূল পর্ব শুরু হয়। 

মুনমুন সাহা ও রূনা রায়ের সঞ্চালনায় এতে স্বাগত বক্তব্য দেন সবিতা দাস। তিনি প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি ধরে রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। 

তারপর সংগঠনের শিল্পীরা বৈশাখ ও মা-কে উৎসর্গ করা বিভিন্ন গান পরিবেশন করেন। সবিতা দাসের নেতৃত্বে সমবেত গানে অংশ নেন প্রিনা নন্দী, অনামিকা চন্দ, চমেন আফরোজ জুই ও আয়েশা খানসহ অর্ধশতাধিক কণ্ঠশিল্পী। 

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন— মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, রাশেদ আহমেদ, আবুল বাশার চুন্নু, ফারুক হোসেন ও অলিউল্লাহ শিকদার। এছাড়া সাংবাদিক সৈয়দ মুহম্মদউল্লাহ, শিল্পী খুরশেদ আলম সেলিম, প্রভাত চন্দ্র দাস ও ফাহাদ সোলায়মানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

সাংস্কৃতিক পর্বে নাচ পরিবেশনায় ছিলেন অথরা ঘোষ, পূর্ণা দে ও সুদীষ্ণা সাহা। শিশুদের জন্য আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় দ্বিজল সাহা ও অর্ক ঘোষসহ একঝাঁক শিশু-কিশোর। 

যন্ত্রসঙ্গীতে তবলায় ছিলেন শিল্পী তপন মোদক ও সজীব মোদক, কি-বোর্ডে ছিলেন মাসুদ রানা। বৈশাখী র‍্যালি ও পিঠা উৎসবের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।