০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

নিউ জিল্যান্ডে দেশের প্রথম আবাসিক হাই কমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ

ওয়েলিংটনে বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক মিশনের যাত্রা শুরু।

নিউ জিল্যান্ডে দেশের প্রথম আবাসিক হাই কমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ
গভর্নর জেনারেল ডেম সিন্ডি কিরোর কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন সামিনা নাজ (ডানে)।

বিডিনিউজ২৪

প্রবাস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 10 Sep 2026, 12:00 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:33 PM

নিউ জিল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রথম আবাসিক হাই কমিশনার সামিনা নাজ দেশটির গভর্নর জেনারেল ডেম সিন্ডি কিরোর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। 

বুধবার রাজধানী ওয়েলিংটনে গভর্নমেন্ট হাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পরিচয়পত্র পেশ শেষে বৈঠকে সামিনা নাজকে অভ্যর্থনা জানান গভর্নর জেনারেল ডেম সিন্ডি কিরো। এসময় সামিনা নাজ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দেশের জনগণের পক্ষ থেকে নিউ জিল্যান্ডের গভর্নর জেনারেল ও জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন। 

আনুষ্ঠানিকতার পর স্থানীয় রীতি অনুযায়ী এবং গভর্নর জেনারেলের অনুরোধে হাই কমিশনার বাংলাদেশ-নিউ জিল্যান্ডের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করে শোনান।

বৈঠকে সামিনা নাজ দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, কৃষি, শিক্ষা, ক্রীড়া, শিল্প ও সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পাশাপাশি, কমনওয়েলথভুক্ত দেশ হিসেবে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং শান্তি, মানবাধিকার ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক ইস্যুগুলোতে একসঙ্গে কাজ করার ও সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের কথা তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ ও নিউ জিল্যান্ডের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা হয় ১৯৭২ সালে। দীর্ঘ সময় পর, নিউ জিল্যান্ডে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা বিবেচনা করে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাড়াতে বাংলাদেশ সরকার ২০২৫ সালে দেশটিতে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক মিশন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়। 

ওয়েলিংটনে অবস্থিত এ হাই কমিশন নিউ জিল্যান্ডের পাশাপাশি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র সামোয়া ও টুভালুর জন্যও কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করছে।