পুলিশকে মারধর করা যুবদল নেতা মুচলেকায় মুক্ত, সংগঠন থেকে বহিষ্কার
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন ইসমাইল হোসেন।
চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্যকে মারধর করার অভিযোগে চট্টগ্রামে এক নেতাকে বহিষ্কার করেছে যুবদল।
শুক্রবার জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে ওই নেতার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
সাংগঠনিক শাস্তির মুখে পড়া যুবদল নেতার নাম ইসমাইল হোসেন, তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি পদে ছিলেন।
যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার সই করা আদেশে বলা হয়, পেশাগত দায়িত্বপালনকালে রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্তব্যকাজে বাধা দেওয়ার স্পষ্ট অভিযোগে ইসমাইল হোসেনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দিয়ে ইসমাইলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
ঘটনা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সীতাকুণ্ড থানার গেইটে গাড়ি পার্কিং করা নিয়ে যুবদল নেতা ইসমাইলের সঙ্গে থানার গাড়ি চালক পুলিশ কনস্টেবল মো. শফিকের কথাকাটাকাটি হয়। সেখানে ইসমাইল ওই কনস্টেবলকে মারধর করেন।
এ ঘটনায় পুলিশ সসদস্যরা ইসমাইলকে থানায় আটকে রাখেন।
এদিকে ইসমাইলকে আটক করার খবর শুনে রাতে স্থানীয় বিএনপি-যুবদল নেতাকর্মীরা থানায় গিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। থানায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতারা বৈঠক করে গভীর রাতে মুচলেকা দিয়ে ইসমাইলকে নিজেদের জিম্মায় থানা থেকে ছাড়িয়ে নেন।
সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, রাতে থানার গেইটে গাড়ি পার্কিং করা নিয়ে ইসমাইলের সঙ্গে কনস্টেবল শফিকের ঝামেলা হয়। এরপর তাকে আটক করা হয়েছিল।
“পরে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসা হয় এবং ইসমাইল সবার সামনে ক্ষমা চান। পরে মুচলেকা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
এ বিষয়ে কথা বলতে সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমল কদরকে ফোন করলেও তিনি ধরেননি।
