সাংবাদিকতা ও করপোরেট মিডিয়াকে এক করে দেখা উচিত নয়: ফরিদা আখতার
“৫ অগাস্টের পরও রাষ্ট্র পুরোপুরি ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি,” বলেন বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা।
সাংবাদিকতা ও করপোরেট মিডিয়াকে এক করে দেখা উচিত নয় বলে মনে করেন সাবেক অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
তার ভাষায়, “করপোরেট মিডিয়ার একটি বড় অংশ ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের’ পৃষ্ঠপোষকতায় সংবাদ সেন্সর করেছে। ৫ অগাস্টের পরও রাষ্ট্র পুরোপুরি ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি।”
সোমবার ঢাকার সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এবি পার্টির আলোচনা সভায় এমন মনোভাব তুলে ধরেন ফরিদা আখতার। সভার পর বিকালে দলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়।
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: গণমাধ্যম কর্মীদের দায়িত্ব, ত্যাগ ও দুঃসাহসিক স্মৃতি’ শীর্ষক সভায় সাবেক উপদেষ্টা বলেন, “দেশের ইতিহাসে সংঘটিত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অন্যতম। আবু সাঈদের ছবি এবং আন্দোলনের বিভিন্ন আলোকচিত্র ও ভিডিও ধারণ করে সাংবাদিকরাই আন্দোলনকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।”
“মোবাইল জার্নালিস্টদের ধারণ করা ভিডিও, ছবি ও অন্যান্য আলামত ভবিষ্যতের বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হবে” বলে মনে করেন ফরিদা আখতার।
দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাতুল্লাহ টুটুলের সঞ্চালনায় সভাপতির বক্তব্যে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল না হলে দেশের বেশ কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল ও শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হতো।”
সভায় অন্যদের মধ্যে আমার দেশের যুগ্ম সম্পাদক এম আবদুল্লাহ, দ্য ডিসেন্টের সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির, সাংবাদিক রাজীব আহাম্মদ ও এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া বক্তব্য রাখেন।
