ইসি সচিবালয়ে সামসুল আলমের নিয়োগ ‘পক্ষপাতদুষ্ট’: জামায়াত
“এ ধরনের পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও জনগণের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে,” বলেন দলটির নেতা গোলাম পরওয়ার।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে মো. সামসুল আলমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল চেয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
দলটির তরফে এই নিয়োগ ‘বিতর্কিত ও পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে দাবি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দলের এ অবস্থান তুলে ধরেন।
২৩ জুলাই সামসুল আলমকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন-ইসি সচিবালয়ে এক বছরের চুক্তিতে অতিরিক্ত সচিব পদে নিয়োগ দেওয়ার খবর এসেছে সংবাদ মাধ্যমে। তিনি ইসি সচিবালয়ের উপসচিব হিসেবে ২০১৮ অবসরে যান।
সংসদের বিরোধী দল জামায়াত তার চুক্তিভিক্তিক নিয়োগের বিরোধিতা করছে।
দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, “সামসুল আলমকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যিনি বিএনপির একটি নির্দিষ্ট কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
“এমন একজন সক্রিয় রাজনীতিককে নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব দেওয়া অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতি চরম প্রতারণা। এ ধরনের পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও জনগণের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।”
অবিলম্বে সামসুল আলমের নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি ভবিষ্যতে নির্বাচন কমিশনসহ সব সাংবিধানিক সংস্থায় সর্বজনগ্রাহ্য ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান জামায়াতের এই নেতা।
তিনি বলেন, “দেশবাসী দেখতে পাচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ নয়, সবার আগে বিএনপি’। বর্তমানে এই নীতির ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হচ্ছে, যা জাতির সাথে প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়।”
গোলাম পরওয়ার সম্প্রতি রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় নেতাদের নিয়োগের সমালোচনা করেন।
জামায়াতের সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মা’ছুম, হামিদুর রহমান আযাদ, আবদুল হালিম, মোয়াযযম হোসাইন হেলাল ও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমান।
