বেহাল সূত্রাপুরের আদি স্থাপনা

  • বড় বাড়ি, প্রায় একশ বছরের পুরনো এ বাড়িটি ৪৫ বি কে দাস রোডে অবস্থিত। প্রায় শত বছর আগে এই বাড়ি তৈরি করেছিলেন জমিদার প্রসন্নবাবু। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    বড় বাড়ি, প্রায় একশ বছরের পুরনো এ বাড়িটি ৪৫ বি কে দাস রোডে অবস্থিত। প্রায় শত বছর আগে এই বাড়ি তৈরি করেছিলেন জমিদার প্রসন্নবাবু। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • বাড়ির দোতলায় রয়েছে একটি ছাপাখানা এবং নিচতলায় রয়েছে আসবাবের কারখানা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    বাড়ির দোতলায় রয়েছে একটি ছাপাখানা এবং নিচতলায় রয়েছে আসবাবের কারখানা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • বড় বাড়ি, প্রায় একশ বছরের পুরনো এ বাড়িটি ৪৫ বি কে দাস রোডে অবস্থিত। প্রায় শত বছর আগে এই বাড়ি তৈরি করেছিলেন জমিদার প্রসন্নবাবু। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    বড় বাড়ি, প্রায় একশ বছরের পুরনো এ বাড়িটি ৪৫ বি কে দাস রোডে অবস্থিত। প্রায় শত বছর আগে এই বাড়ি তৈরি করেছিলেন জমিদার প্রসন্নবাবু। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • সংরক্ষণের অভাবে খসে পড়ছে ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    সংরক্ষণের অভাবে খসে পড়ছে ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • সংরক্ষণের অভাবে খসে পড়ছে ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    সংরক্ষণের অভাবে খসে পড়ছে ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • সংরক্ষণের অভাবে খসে পড়ছে ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    সংরক্ষণের অভাবে খসে পড়ছে ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • সংরক্ষণের অভাবে খসে পড়ছে ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    সংরক্ষণের অভাবে খসে পড়ছে ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • মঙ্গলালয় বাড়িটি ৬৫ বি কে দাস রোডে অবস্থিত। ১৯১৫ সালে জমিদার আশুতোষ দাস এটি নির্মাণ করেন। ব্যক্তি মালিকানাধীন বাড়িটি বিভিন্ন ধরনের নাটক ও সিনেমার কাজে ব্যবহার করা হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    মঙ্গলালয় বাড়িটি ৬৫ বি কে দাস রোডে অবস্থিত। ১৯১৫ সালে জমিদার আশুতোষ দাস এটি নির্মাণ করেন। ব্যক্তি মালিকানাধীন বাড়িটি বিভিন্ন ধরনের নাটক ও সিনেমার কাজে ব্যবহার করা হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • মঙ্গলালয় বাড়িটি ৬৫ বি কে দাস রোডে অবস্থিত। ১৯১৫ সালে জমিদার আশুতোষ দাস এটি নির্মাণ করেন। ব্যক্তি মালিকানাধীন বাড়িটি বিভিন্ন ধরনের নাটক ও সিনেমার কাজে ব্যবহার করা হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    মঙ্গলালয় বাড়িটি ৬৫ বি কে দাস রোডে অবস্থিত। ১৯১৫ সালে জমিদার আশুতোষ দাস এটি নির্মাণ করেন। ব্যক্তি মালিকানাধীন বাড়িটি বিভিন্ন ধরনের নাটক ও সিনেমার কাজে ব্যবহার করা হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • মঙ্গলালয় বাড়িটি ৬৫ বি কে দাস রোডে অবস্থিত। ১৯১৫ সালে জমিদার আশুতোষ দাস এটি নির্মাণ করেন। ব্যক্তি মালিকানাধীন বাড়িটি বিভিন্ন ধরনের নাটক ও সিনেমার কাজে ব্যবহার করা হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    মঙ্গলালয় বাড়িটি ৬৫ বি কে দাস রোডে অবস্থিত। ১৯১৫ সালে জমিদার আশুতোষ দাস এটি নির্মাণ করেন। ব্যক্তি মালিকানাধীন বাড়িটি বিভিন্ন ধরনের নাটক ও সিনেমার কাজে ব্যবহার করা হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • সূত্রাপুর ও ফরাশগঞ্জের অলিগলি ঘুরলে চখে পড়বে আর কিছু পুরান বাড়ি, যেগুলো সংরক্ষণের অভাবে হারাতে বসেছে জৌলুস। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    সূত্রাপুর ও ফরাশগঞ্জের অলিগলি ঘুরলে চখে পড়বে আর কিছু পুরান বাড়ি, যেগুলো সংরক্ষণের অভাবে হারাতে বসেছে জৌলুস। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • সূত্রাপুর ও ফরাশগঞ্জের অলিগলি ঘুরলে চখে পড়বে আর কিছু পুরান বাড়ি, যেগুলো সংরক্ষণের অভাবে হারাতে বসেছে জৌলুস। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    সূত্রাপুর ও ফরাশগঞ্জের অলিগলি ঘুরলে চখে পড়বে আর কিছু পুরান বাড়ি, যেগুলো সংরক্ষণের অভাবে হারাতে বসেছে জৌলুস। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • সূত্রাপুর ও ফরাশগঞ্জের অলিগলি ঘুরলে চখে পড়বে আর কিছু পুরান বাড়ি, যেগুলো সংরক্ষণের অভাবে হারাতে বসেছে জৌলুস। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    সূত্রাপুর ও ফরাশগঞ্জের অলিগলি ঘুরলে চখে পড়বে আর কিছু পুরান বাড়ি, যেগুলো সংরক্ষণের অভাবে হারাতে বসেছে জৌলুস। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • সূত্রাপুর ও ফরাশগঞ্জের অলিগলি ঘুরলে চখে পড়বে আর কিছু পুরান বাড়ি, যেগুলো সংরক্ষণের অভাবে হারাতে বসেছে জৌলুস। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    সূত্রাপুর ও ফরাশগঞ্জের অলিগলি ঘুরলে চখে পড়বে আর কিছু পুরান বাড়ি, যেগুলো সংরক্ষণের অভাবে হারাতে বসেছে জৌলুস। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • সময়ের সাথে সাথে হারিয়ে যেতে বসেছে সূত্রাপুর ও ফরাশগঞ্জের কিছু আদি স্থাপনা। সংরক্ষণের অভাবে জরাজীর্ণ ঐতিহাসিক এই স্থাপনাগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে যথেচ্ছভাবে। সংরক্ষণের ঘোষণা আছে, উদ্যোগ নেই। ফলে এগুলোর কোনো দর্শনার্থীও নেই বললেই চলে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    সময়ের সাথে সাথে হারিয়ে যেতে বসেছে সূত্রাপুর ও ফরাশগঞ্জের কিছু আদি স্থাপনা। সংরক্ষণের অভাবে জরাজীর্ণ ঐতিহাসিক এই স্থাপনাগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে যথেচ্ছভাবে। সংরক্ষণের ঘোষণা আছে, উদ্যোগ নেই। ফলে এগুলোর কোনো দর্শনার্থীও নেই বললেই চলে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

সাম্প্রতিক ছবিঘর