‘স্বস্তির পরিস্থিতি’ নেই, রাজনৈতিক মতপার্থক্যে বাজেট প্রণয়ন কঠিন: মির্জ্জা আজিজ
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ‘ইনসাইড আউট’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “সেখানেতো পণ্য ওঠানামায় খুব একটা অভিযোগ আছে বলে মনে হয় না। হ্যাঁ, তবে কিছু কিছু হয় যেটা আন্ডার ইনভয়েসিং, ওভার ইনভয়েসিং। যেটা করে আবার ওই অর্থপাচার করা হয়।”
এভাবে অর্থপাচার বন্ধ করতে কাস্টমস ও দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) আরও সক্রিয় করার পরামর্শ দেন অর্থনীতির এই বিশ্লেষক। বলেন, “তো সেটার জন্য (অর্থপাচার বন্ধ) কোনো বিদেশি ফার্মের দরকার আছে বলে আমার কাছে মনে হয় না।
“আমাদের দুদক আছে, আমাদের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আছে। তাদেরকে যদি আমরা সক্রিয় করতে পারি এবং তাদেরকে যদি আইনানুগ সমর্থন দিতে পারি, তাহলে আমার মনে হয় যে বিদেশি কোম্পানির হাতে এটা হস্তান্তর করাটা সঠিক না।”
পট পরিবর্তনের পর বর্তমান অবস্থায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যে বিভিন্ন দাবি দাওয়া পেশ করছে সেগুলোর সব ‘সামঞ্জস্যপূর্ণ না’ বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে বাজেট প্রণয়ন করাটা বেশ কঠিন।
২০০৭-০৮ মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা হিসেবে দুইবার বাজেট দেওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মির্জ্জা আজিজ বলেন, ওই সময়ে খুব একটা ‘মতপার্থক্য না থাকায় ‘স্বস্তির পরিস্থিত বিদ্যমান ছিল’।
ইনসাইড আউটের আলোচনা অনুষ্ঠানে অর্থনীতির এই শিক্ষক মূল্যস্ফীতি, দ্রব্যমূল্য, বিনিয়োগ, দারিদ্র্য বিমোচন, ব্যাংক ও আর্থিক খাতের অবস্থা, অর্থ পাচারসহ নতুন বাজেটের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
