২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরস্বতী পূজার ভোগে যা পছন্দ ছিল মহানায়কের

কলকাতার ৮৬ লেনিন সরণিতে ‘শিল্পী সংসদ’ এর অফিসে সরস্বতী পূজায় একটা সময় পর্যন্ত নিয়মিত যাতায়াত করতেন উত্তম কুমার।

গ্লিটজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Feb 2024, 10:54 AM

Updated : 14 Feb 2024, 06:26 PM

ভারতীয় বাংলা সিনেমার মহানায়ক উত্তম কুমার বিশ্বাস করতেন, অভিনয় শিল্পীরা বিদ্যা ও ললিতকলার দেবী সরস্বতীর বিশেষ আশীর্বাদ ধন্য হয়ে থাকেন। সেই বিশ্বাস থেকে কলকাতার ‘শিল্পী সংসদের’ উদ্যোগে উত্তম শুরু করেছিলেন সরস্বতী পূজা। সেই আয়োজনে উত্তমের প্রিয় খাবার ছিল খিচুড়ি আর শীষপালংয়ের চচ্চড়ি।

আনন্দবাজার লিখেছে, ১৯৬৮ সালে উত্তমের নেতৃত্বে গড়ে ওঠে ‘শিল্পী সংসদ’। কলকাতার ৮৬ লেনিন সরণিতে সেই সংস্থার অফিসে আয়োজিত সরস্বতী পূজায় একটা সময় পর্যন্ত নিয়মিত যাতায়াত ছিল উত্তমের।

এই সংস্থার এক সময়ের সম্পাদক সাধন বাগচি বলেছেন, সাদা ধুতি আর পাঞ্জাবি পরে উত্তম কুমার আসতেন পূজায়। বেশিরভাগ সময়ে তার সঙ্গে থাকতেন কলকাতার সিনেমার অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবী।

বাগচি বলেন, “মহানায়ক আসতেন। শিল্পীদের সঙ্গে নিয়ে পূজায় অঞ্জলি দিতেন। পূজার পর আড্ডাও দিতেন সবার সঙ্গে বসে। “

Image

‘শিল্পী সংসদে’ অন্যান্যদের সঙ্গে উত্তম কুমার

সাবেক এই সম্পাদক স্মৃতি রোমন্থন করে বলেন, “পূজার দিনে দুপুর বেলার খাবার আয়োজনের মেন্যু উত্তম কুমারই আগে থেকে ঠিক করে দিতেন। প্রায় দুইশ মানুষের খাবারের আয়োজন থাকত। দশ রকম সবজি দিয়ে খিচুড়ি আর শীষপালংয়ের চচ্চড়ি ছিল মহানায়কের প্রিয় খাবার। এছাড়া সঙ্গে থাকত বেগুনি ও বড়ি ভাজা।“

মধ্যাহ্নভোজের পরে শিল্পীদের নিয়ে বসত গানবাজনার আসর। সন্ধ্যায় আরতির পর রাতের খাবারে কড়াইশুঁটির কচুরি, আলুর দম, ভেজিটেবল চপ এবং মিষ্টি করা হত বলে জানান বাগচি।

উত্তমের আমন্ত্রণে বীণাপাণির ওই পূজায় সে সময়ে বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির শিল্পীদের মধ্যে তরুণ কুমার, অনিল চট্টোপাধ্যায়, সুমিতা বিশ্বাস, বাসবী নন্দীসহ আরও অনেকে থাকতেন।