ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে আবৃত্তিশিল্পীদের প্রতিবাদ
‘চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়’ স্লোগানে এই আয়োজন শুরু হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে।
কবিতার মধ্য দিয়ে ধর্ষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদ জানালেন আবৃত্তিশিল্পীরা; দাবি জানালেন দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার।
মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি করেছে 'সম্মিলিত আবৃত্তিশিল্পীবৃন্দ' নামে একটি প্লাটফর্ম।
‘চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়’ স্লোগানে এই আয়োজন শুরু হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে। এরপর দেশে অব্যাহত নারী ও শিশু ধর্ষণ, নারী নিপীড়নের ঘটনাগুলো তুলে ধরে সারাদেশের মানুষকে একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান শিল্পীরা।
আয়োজকদের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "দীর্ঘ ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর পর জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর আমরা ভেবেছি, এইবার বুঝি নারীরা মুক্তি পাবে। পাবে স্বাধীনতা। নির্ভয়ে থাকবে ঘরে বাইরে, হাটে-মাঠে-ঘাটে। কিন্তু কোথায় সেই সুদিন?"
অনুষ্ঠানে আবৃত্তি করেন সামছুদ্দোহা পাটোয়ারি, সঙ্গীতা খান, মুমু মাহিনুর, অনন্যা মাহমুদ, আঞ্জুমান লায়লা নওশিন, ফাহমিদা সূচনা, মাসুদ মনিরুল, মাহি ফারহানা, শারমিন জুই, কামরুজ্জামান, মাহবুবুর রহমান টুনু, লিজা তাসলিমা, শিরীন বেবী, ইশরাত ঝিমিসহ অনেকে।
আয়োজনে সংহতি প্রকাশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গীতি আরা নাসরিন, বটতলাসহ বেশ কয়েকটি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।
আয়োজনের সমন্বয়ে ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী আঞ্জুমান লায়লা নওশিন, অনন্যা মাহমুদ ও তাসনুভা মোহনা।
