গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে বের করে দিলেন কর্মকর্তারা
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে গভর্নরকে সহায়তা করছিলেন আহসান উল্লাহ। তার নেতৃত্বেই পাঁচ ব্যাংক একীভূত করা হয়।
সদ্য বিদায়ী গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দেওয়া কর্মকর্তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে জোর করে বের করে দিয়েছেন।
নিজেদের বিভিন্ন সুবিধা আদায়ের দবিতে আন্দোলন করে আসা বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল, ঢাকার দাবি ছিল চুক্তিভিত্তিক সকল নিয়োগ বাতিল করা হোক।
তিন জনের বদলি ও কারণ দর্শানোর নোটিস প্রত্যাহারের দাবিতে মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে কাউন্সিলের ব্যানারে একদল কর্মকর্তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। সেখানে গভর্নরের পদত্যাগ দাবি করা হয়।
এর ঘণ্টা খানেক পর বাংলাদেশ ব্যাংকে সংবাদ সম্মেলনে আসেন আহসান এইচ মনসুর। ততক্ষণে অর্থ মন্ত্রণালয় তাকে সরিয়ে নতুন গভর্নর নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
বেলা ২টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বেরিয়ে যান আহসান এইচ মনসুর। তার পরপরই গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে জোর করে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বের করে দেন বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের আন্দোলনরত সদ্যরা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক আহসান উল্লাহকে গত গত বছরের জানুয়ারিতে এক বছরের জন্য গভর্নরের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সবশেষ গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদ সভায় তার চুক্তির মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে গভর্নরকে সহায়তা করছিলেন আহসান উল্লাহ। তার নেতৃত্বেই পাঁচ ব্যাংক একীভূত করা হয়।
তাকে বের করে দেওয়ার দুই ঘণ্টা পর, বিকাল ৪টার দিকে নতুন গভর্নর হিসেবে ব্যবসায়ী মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়।
