জেড শ্রেণির কোম্পানির শেয়ার হাতবদলে বিএসইসির আগাম অনুমোদন লাগবে না
‘ফিন্যান্সিয়াল ডেরিভেটিভস’ পণ্য চালু করতে ডিএসইর পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
এখন থেকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ‘জেড’ শ্রেণির কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের শেয়ার হাতবদলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড কমিশনের (বিএসইসি) আগাম অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না।
নতুন সিদ্ধান্তে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার লেনদেন, বিশেষ করে ঋণ খেলাপীজনিত কারণে বাজেয়াপ্ত ও মৃত্যুজনিত কারণে শেয়ার হস্তান্তর স্টক এক্সচেঞ্জের নিয়ম অনুযায়ী হবে।
মঙ্গলবার রাজধানী আগারগাঁও কার্যালয়ে কমিশনের ১০২৭তম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান সভার সভাপতিত্ব করেন।
আরও দুটি সিদ্ধান্তের তথ্য তুলে ধরে বিএসইসি বলেছে, দ্বৈতকর সংক্রান্ত ডিটিএ (ডাবল ট্যাক্সাশন অ্যাভোয়ড্যান্স) সনদ জমা দেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এবং সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের মধ্যে তালিকাভুক্ত কোম্পানির বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ ছাড় করতে হবে।
এছাড়া লভ্যাংশ ছাড়ের ৩০ দিনের মধ্যে তাদের ডিভিডেন্ড কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন জমা দিতে হবে কমিশনে।
অন্যদিকে স্থানীয় শেয়ারধারকদের লভ্যাংশ বিতরণের পরে প্রিলিমিনারি ডিভিডেন্ড কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।
কমিশনের আরেকটি সিদ্ধান্ত হচ্ছে, ২০২৮ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে দেশের বড় পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ডেরিভেটিভস পণ্যের আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু করবে। এজন্য ‘ফিন্যান্সিয়াল ডেরিভেটিভস’ পণ্য চালু করতে ডিএসইর পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি।
প্রথমদিকে ‘ইনডেক্স ফিউচার’ দিয়ে লেনদেন শুরু হবে বলেও জানানো হয়।
এজন্য ডিএসইর পরিকল্পনা অনুযায়ী সিস্টেম উন্নয়ন, ক্লিয়ারিং সেটেলমেন্টসহ অবকাঠামো প্রস্তুত হচ্ছে কিনা, তা নিয়মিত তদারকি করবে বিএসইসি।
